ফরিদপুর প্রতিনিধি: শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে ফরিদপুরের ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে প্রচার-প্রচারনা। প্রার্থীরা প্রতিক আর নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে গোটা সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রতিটি এলাকার অলিতে-গলিতে ঝুলছে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পোষ্টার।
দলীয় প্রতিকে নির্বাচন হওয়ায় আলাদা ভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে সাধারন ভোটারদের কাছে। তবে ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই নির্বাচনের উত্তাপ বাড়ছে।
এদিকে, নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জমে উঠছে নির্বাচনের পরিবেশ। প্রার্থীরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের বাড়ীতে গিয়ে ভোট প্রর্থনা করছেন। ভোটকে সামনে রেখে প্রার্থীদের এখন ঘুম হারাম। এবারের নির্বাচনে রাতের বেলায় নির্বাচনী প্রচারনায় প্রার্থীরা বেশী সময় পার করছেন। নির্বাচনে জয়ী হতে প্রার্থীরা ভোটারদের দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।
সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নেই নৌকা আর ধানের শীষের মধ্যেই মূল প্রতিদন্ধীতা হবে বলে জানিয়েছেন ভোটারেরা। তবে কয়েকটি ইউনিয়নে আ’লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থীরাও আলোচনায় আসতে পারে।
এদিকে, ফরিদপুর সদরের ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হওয়ায় এর আলাদা করে গুরুত্ব পাচ্ছে ভোটারদের মাঝে। এবারের নির্বাচনে ভোটারেরা উন্নয়ন, সন্ত্রাস, আর মাদকের বিষয়টি মাথায় রেখে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন তারা।
নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে প্রার্থীদের মধ্যে প্রচারনার প্রতিযোগীতা। প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রার্থীরা ছুটে যাচ্ছেন সাধারন ভোটারদের কাছে। সরকারী দলের প্রার্থীর পক্ষে আচরনবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হলেও তা নাকচ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী।
আসছে আগামি ২৯ মার্চ ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিনিয়র জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা।
আগামী ২৯শে মার্চ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ন ভাবে সম্পন্ন হবে এমনটাই প্রত্যাশা এলাকার সাধারন ভোটারদের।
সদর উপজেলার আলিয়াবাদ, ডিক্রিরচর, নর্থচ্যানেল, চরমাদবদিয়া, আম্বিকাপুর, কৃঞ্চনগর, ইশান গোপালপুর, মাচ্চচর, কানাইপুর, কৈজুরী এবং গেরদা ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যার মধ্যে মোট ভোটার রয়েছে ২লক্ষ ৯শ ৩জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১লক্ষ ২হাজার ২শ ৫৬জন এবং মহিলা ভোটার ৯৮হাজার ৬শ ৪৭জন। এ ১১টি ইউনিয়নে মোট ১০১টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে।
এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩৭জন, সংরক্ষিত মহিলা মেম্বর ১১৩জন এবং সাধারন মেম্বর পদে ৩২৭জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। প্রতিটি কেন্দ্র ২০জন করে পুলিশ এবং আনসার বাহিনী থাকবে।
এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে বিজিবি ও র্যাবের পাশাপশি নির্বাহী ম্যাজেষ্ট্রেট দায়ীত্বে থাকবে।

