একাত্তর বাংলাঃ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার প্রত্যয়িত কপি হাতে পেয়েছেন বেগম জিয়ার আইনজীবীরা।
সোমবার বিকেলে আদালত প্রকাশ করার পর তারা এটি সংগ্রহ করেন। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই তারা জামিনের আবেদন করবেন। এদিকে,প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, বেগম জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কিনা তা আদালতের এখতিয়ার।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি ৫ বছরের কারাদণ্ড হয় বেগম জিয়ার। এরপর থেকে কারাগারে আছেন বেগম জিয়া। তার আইনজীবীরা,রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার ঘোষণা দিলেও প্রত্যয়িত কপি না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।
অবশেষে সোমবার বিকেলে প্রত্যয়িত কপি প্রকাশ করেন আদালত।বেগম জিয়ার আইনজীবীরা আদালত থেকে রায়ের প্রত্যয়িত কপি সংগ্রহ করে জানান,দু-একদিনের মধ্যে জামিন চেয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন তারা।
সানাউল্লাহ ও খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘এখন আমরা রায়ের কপি পেয়েছি। তা থেকে আবেদন করবো।’
বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘দুদকের এই মামলাটি তদন্ত করার এখতিয়ার নেই। যার ফলে এই মামলায় চার্জশিট যেটা দিয়েছে সেটা বেআইনি হয়েছে।’
সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মনে করেন,উচ্চ আদালত বেগম জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করলে এবং তিনি জামিন পেলে তার নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো বাধা থাকবেনা।
আর সকল আইনি জটিলতা কাটিয়ে বেগম জিয়া নির্বাচনে অংশ নিক এমনটায় প্রত্যাশ প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার । দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে একথা বলেন তিনি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আশা করি খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নেবে। উচ্চ আদালতে দণ্ড স্থগিত নয়, প্রথমে বেগম জিয়ার জামিন চেয়ে আবেদন করা হবে বলেও জানিয়েছেন বেগম জিয়ার আইনজীবীরা।

