একাত্তরঃ চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে প্রশাসনিক ও বিচার বিভাগীয় দুটি কমিটি গঠন করেছেন হাইকোর্ট। আদেশের কপি হাতে পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে কাজ শুরু করে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে দুই কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালত শুনানিতে বলেছেন, প্রশ্ন ফাঁস মহামারি আকার ধারণ করেছে, যা দেশে-বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। এদিকে শিক্ষা সচিব জানিয়েছেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে শিক্ষামন্ত্রণালয়।
একের পর এক প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার উদ্বেগ আর উৎকন্ঠার মধ্যে শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা। নতুন নতুন কৌশল নিয়েও ঠেকানো যাচ্ছেনা প্রশ্নফাঁস। প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধে ব্যর্থতার দায়ে কাঠগড়ায় শিক্ষামন্ত্রণালয়।
এমন প্রেক্ষাপটে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে দ্বারস্থ হন সুপ্রিম কোর্টের ৪ জন আইনজীবী। শুনানি শেষে প্রশ্ন ফাঁস প্রতিরোধে ৫ সদস্যের বিচারবিভাগীয় ও ৫ সদেস্যর প্রশাসনির কমিটি গঠন করে দেন আদালত। বিচারবিভাগীয় কমিটির কাজ হবে- প্রশ্নফাঁসের জড়িতদের চিন্থিত করা। আর একাডেমিক কমিটি দেখবে প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধের বিষয়টি।
প্রশ্ন ফাঁসকে মাদকাসক্তের সঙ্গে তুলনা করেন উচ্চ আদালত। আদালত শুনানিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, প্রশ্নফাসেঁর কারণে দেশে-বিদেশে ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন হচ্ছে।
উচ্চ আদালতে এ আদেশের পর সচিবালয়ে শিক্ষা সচিব জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে চলার পাশাপাশি প্রশ্নফাঁস রোধে সরকারের ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
আদালতের আদেশের কপি পাওয়ার পর প্রশ্নফাঁস নিয়ে গঠিত এই দুই কমিটিকে তাদের তদন্ত রিপোর্ট দিতে হবে উচ্চ আদালতে।

