একাত্তর বাংলাঃ নিজস্ব ভূমি আছে, অথচ বসতঘর নেই। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে এমন গৃহহীনদের বসতঘর নির্মাণ করে দিচ্ছেন বিত্তশালীরা। আর এমন মহতী কাজের উদ্দীপনা যোগাচ্ছে প্রশাসন। তবে সরকারি অর্থায়নেও সব গৃহহীনদের জন্য আরো গৃহনির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে খুশি সুবিধাভোগীরা। ব্যতিক্রম এমন উদ্যোগ দেশের জন্য একটি রোল মডেল হতে পারে বলে মনে করে জেলা প্রশাসন।
ভিক্ষাবৃত্তি এবং অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন মনোয়ারা বেগম। তার ওপর ছিল না মাথা গোঁজার ঠাঁই। ফলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দীর্ঘ সময় কেটেছে কষ্টের দিন। তবে এখন দিন পাল্টেছে মনোয়ারার। তিনি পেয়েছেন ঝকঝকে নতুন একটি বসতঘর।
এই ঘরটি নির্মাণ করে দিয়েছেন এলাকার বিত্তশালীরা। এতে শুধু বসতঘরই নয়, সৌরবিদ্যুতসহ পেয়েছেন অন্যান্য সুবিধাও। হাজীগঞ্জের রাজারগাঁও ইউনিয়নের মুকুন্দসার গ্রামের মতো উপজেলার অন্য গ্রামে গৃহহীনদের জন্য বরাদ্দ হয়েছে এমন বসতঘর। এসব পেয়ে দারুণ খুশি তারা।
প্রশাসনের ডাকে সাড়া দিয়ে এলাকার বিত্তশালী লোকজন এসব বসতঘর নির্মাণ করে দিয়েছেন। এমনটি জানালেন চাঁদপুর হাজীগঞ্জ রাজারগাঁও ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ইসমাইল হোসেন এবং চাঁদপুর হাজীগঞ্জ চেয়ারম্যান জাকির হোসেন লিটু।
গৃহহীনদের জন্য শুধু গৃহনির্মাণই নয়, তাদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। অন্যদিকে, অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর এমন নজির দেশের জন্য একটি রোল মডেল বলে জানালেন চাঁদপুর হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়–য়া এবং চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মণ্ডল।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় তিনধাপে ২ শ ১৭ জন গৃহহীনকে নতুন বসতঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। অন্যদের জন্য সরকারি অর্থায়নে আরো দু শ বসতঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

