জয়পুরহাটে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনের হাওয়া !

Date:

একাত্তর বাংলাঃ উত্তর পশ্চিমের সীমান্তঘেঁষা জেলা জয়পুরহাটে বইতে শুরু করেছে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের হাওয়া।

জেলা সদর হওয়ায় সংসদীয় এক আসন দখলে নিতে মরিয়া বড় তিন দলই। ভোটের মাঠে এগিয়ে থাকতে দল গোছাতে কাজ করছে রাজনৈতিক দলগুলো।

নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান দাবি করে জয় নিয়ে আশাবাদী আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। আর মহাজোটের কিংবা একক প্রার্থী দিয়ে জয় চায় জাতীয় পার্টি।

জয়পুরহাটের সদর ও পাঁচবিবি উপজেলার সতেরো ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা নিয়ে  জয়পুরহাট-এক আসন। স্বাধীনতার পর থেকে এ আসনে বেশিরভাগ সময় জয় পেয়েছে বিএনপি। ২০১৪ সালে অংশ না নিলেও আগামী নির্বাচনে আসনটি পুনরুদ্ধারে ভোটের মাঠ গোছাতে ব্যস্ত দলটি।

জেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. শামছুল হক বলেন, ‘প্রত্যেকটা থানা এবং পৌর কমিটি এমনকী ওয়ার্ড কমিটিও সাজানো আছে। বর্তমানে নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিটিও আমরা তৈরি করছি।’

জেলা বিএনপির সহসভাপতি মমতাজ উদ্দিন মন্ডল বলেন,‘সরকার যদি ফ্রি ফেয়ার নির্বাচন দেয়, আমরা গোটা জেলাতে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ইনশাল্লাহ পাস করে যাব।’

দশম সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের সভাপতি সামছুল আলম দুদু। আগামী নির্বাচনে জয় ধরে রাখতে চায় দলটি।

সামছুল আলম দুদু বলেন, ‘আমার আগে যারা এমপি ছিলেন এখানে, তারা যে ডেভলপমেন্ট করেছেন, আমি মনে করি তারা সবাই মিলে যা করেছেন আমি একাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে  সেই ডেভলপমেন্ট করেছি। আমি বিশ্বাস করি, মানুষ এবারো আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে না।’

জয়পুরহাট পাঁচবিবির উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘এলাকায় আওয়ামী লীগের যথেষ্ঠ অর্জন হয়েছে। আমরা নিঃসন্দেহে এই আসনটি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে পারবো।’

এ আসনে মাত্র একবারই জয় পেয়েছে জাতীয় পার্টি। ২০১৪ সালে প্রার্থী দিলেও শেষ মুহূর্তে তা প্রত্যাহার করা হয়। এ অবস্থায়, আগামী নির্বাচনে মহাজোটের হয়ে প্রার্থী দিতে চায় জাপা।

জয়পুরহাট জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক  আসম মোক্তাদির রহমান তিতাস বলেন, ‘সম্মেলন করবার পর থেকে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে। আমরা জাতীয় পার্টির কমিটি করা শুরু করেছি। আমি আশাবাদী পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহাম্মদ এরশান এবারো এই আসনে আমাকে মনোনয়ন দেবেন।’

১৯৭৩ এর নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী জিতলেও ৭৯-তে এই আসনে জয় পায় বিএনপি। ৮৬ তে আওয়ামী লীগ এবং ৮৮’র নির্বাচনে বিজয়ী হয় জাতীয় পার্টি। ১৯৯১, ৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ বিজয়ী হয় ধানের শীষ। ২০১৪’র নির্বাচনে জয় পায় আওয়ামী লীগ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Share post:

Subscribe

spot_imgspot_img

Popular

More like this
Related

গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শহীদকে জড়িয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

একাত্তর বাংলা রিপোর্টঃ ময়মনসিংহের গৌরীপুরে সম্প্রতি জমি সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের...

ময়মনসিংহে উদ্দীপন কুমির খামার পরিদর্শন করেছেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

একাত্তর বাংলা রিপোর্টঃ ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হাতিবেড় গ্রামে অবস্থিত...

ময়মনসিংহে জেলা গোয়েন্দা শাখার দুটি অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ মাদক ব্যবসায়ী

একাত্তর বাংলা রিপোর্টঃ ময়মনসিংহে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পৃথক...

বকশীগঞ্জ হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

মাসুদ উল হাসান ॥ জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স ১০১ শয্যায়...
LATEST NEWS
গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শহীদকে জড়িয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ময়মনসিংহে উদ্দীপন কুমির খামার পরিদর্শন করেছেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ময়মনসিংহে জেলা গোয়েন্দা শাখার দুটি অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ মাদক ব্যবসায়ী বকশীগঞ্জ হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সব ধরনের সমস্যা মোকাবেলা করেই তড়িগতিতে স্টিল আর্চ সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে-এমপি ওয়াহাব আর্ন্তজাতিক মানের বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও বিকেএসপি নির্মাণ হলে খেলাধূলার নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে-এমপি ওয়াহাব গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল-তথ্য প্রতিমন্ত্রী চৌকস ওসি নাজমুস সাকিব এর নেতৃত্বে শাওন হত্যার আসামীরা গ্রেফতার ময়মনসিংহে হতদরিদ্রদের মাঝে নবনির্বাচিত এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দের ইফতার বিতরণ বিএনপি হচ্ছে সে রকম একটি দল-যাদের পরিকল্পনা রয়েছেঃ তারেক রহমান