একাত্তর বাংলা ডেস্ক
কনকনে শীতে কাঁপছে দেশ। শীতের এমন প্রকোপ থাকবে কমপক্ষে আরও ২ দিন। এই সময়ে সারা দেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এছাড়া বৃহস্পতিবার গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিরও পূর্বাভাস জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
কুয়াশার চাদরে ঢেকেছে জনপদ। তিনদিন ধরে সূর্যের দেখা না মিলায় ভূপৃষ্ঠ রয়েছে শীতল। তাই শীতের অনুভূতিও অনেক বেশি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীতে কুয়াশা কেটে গেলেও শীত কমছে না। তাই আগুন জ্বেলে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে ছিন্নমূল মানুষ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এ কে এম নাজমুল হক বলছেন, কুয়াশার কারণে শীত বেশি লাগছে। এমন প্রকোপ থাকবে সোমবার পর্যন্ত। এরপর রোদের দেখা মিলবে, বাড়বে তাপমাত্রাও।
আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার উত্তরাঞ্চল, খুলনা, বরিশাল ও ঢাকার কিছু কিছু জায়গায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক।
মাঘ মাসে শৈত্যপ্রবাহের কোনো শঙ্কা দেখছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে উত্তরাঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
এদিকে শনিবার সকাল ৯টায় দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে জনজীবনে। পাশের জেলা ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়েও জেঁকে বসেছে শীত।
নওগাঁয় তাপমাত্রা নেমেছে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। দিনের বেশিরভাগ সময়ই ঢাকা থাকছে কুয়াশায়। নাটোর-পাবনায় ঠান্ডার কারণে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না কেউ। হাড়কাঁপানো শীতে কষ্ট বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের।
চুয়াডাঙ্গাতেও তাপমাত্রা নেমেছে এক অঙ্কের ঘরে। শীতে বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা। এদিকে ঠান্ডার কারণে বেড়েছে শীতজনিত রোগের প্রকোপ। হাসপাতালে বেড়েছে শিশু রোগী।

