বদরুল আমীনঃ সারা দেশের ন্যায় দফায় দফায় পৌর নির্বাচনের অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্ষমতাশীন দল, বিএনপি ও একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে পৌর নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছেন অনেকে। অনেকের অনেক জল্পনা কল্পনাও ছিলো, “ নির্বাচন সুষ্টু হয় কি-না”। না! নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে এমন দাবী করেছেন নির্বাচিত বা পরাজিত প্রার্থীরাই। আমাদের অনুসন্ধানেও নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হয়েছে। পুলিশের প্রশাসনিক ব্যবস্থাও ছিলো কঠোর। যা একজন দক্ষ ও বিচক্ষণ পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান (পিপিএম-সেবা) দ্বারা সম্ভব হয়েছে।
ময়মনসিংহ জেলার বেশ কয়েকটি পৌরসভায় ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী ছাড়াও বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলো। তাদের কেহ কেহ ছিলো জনপ্রিয়ও। ক্ষমতার লড়াই ছিলো যেন সমানে সমান। কোন বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠেই নামতে পারেনি। সবস্থানে সাটাতে পারেনি প্রচারণার পোস্টার। প্রতিটি এলাকায় পুলিশ সাধ্যমত সৃষ্টি করে রেখেছে নির্বাচনের অবাদ স্বাধীনতা। জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা ব্যাপক তৎপর রেখেছেন। সেই সাথে তিনি সর্বক্ষন মনিটরিং করেছেন। ফলে প্রার্থীরা স্বাধীন ভাবে তাদের প্রচারণা কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন।
জেলার গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, ত্রিশাল এলাকায় ক্ষমতাশীন দল আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলো। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ ও ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের নিরপেক্ষতার কারনে প্রতিটি পৌর নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলার স্থিতিশীল রেখে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন জনগণের মাঝে উপহার দেন। জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে খুশি। পুলিশের চমৎকার নিরপেক্ষতা ভূমিকায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে তিন এলাকাতেই জনগণ তাদের পছন্দের বিদ্রোহী প্রার্থীকে নির্বাচিত করে। বিদ্রোহীদের সন্দেহ ছিলো শেষ পর্যন্ত পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকবে কি-না? পুলিশী নিরপেক্ষতায় তারা অবাক! নির্বাচনের পরদিনই জয়ী বা পরাজয় উভয় প্রার্থীরাই পুলিশ প্রশাসনকে অভিনন্দন জানান।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ভূমিকা ও নির্বাচনে শতভাগ নিরপেক্ষতার কারনে যোগ্য প্রার্থীরাই নির্বাচিত হয়েছেন। সম্প্রতি ফুলপুর, ফুলবাড়িয়া, ভালুকা, ত্রিশাল, গৌরীপুর, ঈশ্বরগজ্ঞ ও মুক্তাগাছাসহ বেশ কয়েকটি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সকল এলাকায় পুলিশের ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।

