একাত্তর বাংলা র্রিপোর্টঃ সম্প্রতি ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ এর কার্যক্রম ময়মনসিংহ অঞ্চলে ব্যাপক ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। অপরাধী চিহ্নীত করন, আটক, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারেও সফলতা দেখিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন থানা এলাকায় খুন, ধর্ষন ও অপহরণ ঘটনায় ছায়া তদন্তে অপরাধী চিহ্নিত করে আটক করার সফলতা রয়েছে। এছাড়াও মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার ও উদ্ধারে রয়েছে অনেক সফলতা।র্যাব-১৪ তে রয়েছে প্রযুক্তিগত দক্ষ কারিগড়।
র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ কর্তৃক কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার চন্ডীবেড় মধ্যম পাড়া থেকে অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ অপহরণকারী আল-আমীনকে গ্রেফতার করেছে। মেয়েটিকে দু-দফা অপহরন করে আল-আমীন।
গত ২১ জানুয়ারী মোঃ আলআমীন (৫০), পিতা- মৃত কাশেম আলী দ্বিতীয়বারের মত মেয়েটিকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একটি অভিযোগ পায় র্যাব-১৪। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে র্যাব এর আভিযানিক দল ছায়া তদন্ত পূর্বক ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত করে। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, অপহরণকারী চক্রটি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার চন্ডী বেড় মধ্যমপাড়া এর মোঃ ময়নুল ইসলাম হিরন মোল্লার বাড়ীতে ভিকটিমকে আটক করে রেখেছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে সহকারি পুলিশ সুপার, মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন এর নেতৃত্বে গত ২২ ফেব্রুয়ারী ১৬.৩০ ঘটিকায় র্যাবের আভিযানিক দল ভিকটিমকে উদ্ধার করে এবং অপহরণকারী মোঃ আব্দুস সাত্তার (৫০), পিতা- মৃত ওয়াজ উদ্দিন, সাং- দেওখোলা, থানা- ফুলবাড়ীয়া, জেলা- ময়মনসিংহকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে জানা যায়, সে পূর্ব শত্রুতা ও যৌন লালসা চরিতার্থ করণের উদ্দেশ্যে জোরপূর্বক ভিকটিমকে অপহরণ করে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে একাধিকবার ধর্ষণ করে। উল্লেখ্য যে, অপহরণকারী গত ৫ জুলাই/২০২০ ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করলে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে (ফুলবাড়ীয়া থানার মামলা নং-২৬ তারিখ ২৬/০৭/২০২০খ্রিঃ) ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে আসামী জামিনে এসে ভিকটিম এবং তার পরিবারকে মামলা তুলে না নিলে প্রাণনাশের হুমকিসহ বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ও ভিকটিমকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখে। এই সকল অপহরণকারী ও ধর্ষকদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে র্যাব-১৪ জানায়।

