একাত্তর বাংলাঃ ময়মনসিংহ শহরের প্রধান সড়কগুলো এখন হকার ও ভ্রাম্যমাণ পণ্য বিক্রেতাদের দখলে। এতে পথচারীর চলাচল ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। নিত্যদিনের সঙ্গী এখন যানজট থেকে শুরু করে নানন-রকমের জনদূর্ভোগ ।
নগরবাসী এ থেকে পরিত্রাণ চায় । সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করে জনসাধারণ একাধিকবার বিভিন্নভাবে আবেদন জানালেও তা যেন দেখার কেউ নাই ।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ, নজরে থাকলেও কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না পৌর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন। তবে ফুটপাত দখল করে রাখা হকার উচ্ছেদে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস জেলা প্রশাসক ও পৌর মেয়রের।
ময়মনসিংহের সরু রাস্তাগুলো দিনরাত ভ্রাম্যমাণ হকারদের দখলে। রাস্তার দুপাশে চেয়ার টেবিল পেতে কিংবা ভ্যান গাড়ীতে করে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করা হয়। ফলে ফুটপাতে হাঁটতে অসুবিধার মুখে পড়েন পথচারীরা আর সড়কে সৃষ্টি হয় যানজট।
হকাররা বলছেন, তাদের জন্য নির্দিষ্ট কোন স্থান বরাদ্দ না থাকায় পেটের দায়ে তারা রাস্তার উপর দোকান বসিয়েছেন।
সমস্যার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে হকারদের পুনর্বাসনের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ জেলা নাগরিক আন্দোলন নাগরিক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. এমদাদুল হক মিল্লাত।
বরাবরই শুধু আশ্বাস মিলে পৌর কতৃপক্ষের কাছে কিন্তু এর আশু সমাধানের পথে কেউ হাঁটে না । নির্বাচনী ভোট ফেক্টরের সাথে ইমেজ সংকটে বিধায় এসব বিষয়ে কোন জনপ্রতিনিধি সাধারণ মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে পদক্ষেপ নেয় না।
অথচ পৌর নির্বাচনী কর্মকান্ডের অন্যতম ওয়াদা যানজট ও মাদক এবং সন্ত্রাস মুক্ত নগর তৈরীর, কিন্তু বাস্তবিকতা মেলে এসবে ছেয়ে গেছে গোটা নগরী ।
এ যেন জনসাধারণের কাছে স্বপ্নের মত । কবে যে নগরীর রাস্তাগুলো থেকে হকারদের উচ্ছেদ করে রাস্তাগুলো স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে।
তবে ময়মনসিংহের মাননীয় জেলা প্রশাসক মো. খলিলুর রহমান সবসময় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এ সমস্যা নিরসনে ।তিনি পৌরসভাকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত । তবে কেনো কোন কারনে যে এ সমস্যার আশু সমাধান হচ্ছে না তা বোধগাম্য নহে ।
ময়মনসিংহ শহরের চরপাড়া, স্টেশন রোড, গাঙ্গিনারপার ও দূর্গাবাড়ি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ হকারদের উৎপাত সবচে বেশি।

