মতিন রহমান,বকশীগঞ্জ(জামালপুর)প্রতিনিধি।
সীমান্তে হত্যা ও আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে প্রতিকী মরদেহ কাঁধে নিয়ে ‘লাশের মিছিল’ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ‘হানিফ বাংলাদেশি’র নেতৃত্বে জামালপুরের বকশীগঞ্জ পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড বটতলা মোড় থেকে তারা প্রতীকী মরদেহের মিছিল শুরু করেন।পরে মিছিলটি উপজেলা রোড প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ গেটে সংক্ষিপ্ত মানববন্ধন করেন।
১৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার অলিয়াবাদ জিরো পয়েন্ট থেকে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত আছে এমন সীমান্তবর্তী ৩২টি জেলার ৭২টি উপজেলায় প্রতীকী মরদেহ কাঁধে নিয়ে মিছিল কর্মসূচি পালন করবেন হানিফ বাংলাদেশির নেতৃত্বে ‘ওরা পাঁচ যুবক’।
তারা কক্সবাজারের মিয়ানমার সীমান্তবর্তী টেকনাফ,উখিয়া,চট্টগ্রাম,কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঘুরে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় আসেন।
তারা জানান, কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রত্যেকে প্রতীকী লাশ কাঁধে নিয়ে মিছিলের পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার মানুষকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অবহিত করবেন।
হানিফ বাংলাদেশি বলেন, ভারত ও মিয়ানমার বাংলাদেশের প্রতিবেশী দুটি দেশ। দুই দেশের সীমান্তেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের মধ্যেই এক বাংলাদেশিসহ দুজন সম্প্রতি মারা গেছেন। এসব হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবিতেই তাদের কর্মসূচি পালন করছেন।
উল্লেখ্য, মো. হানিফ ওরফে হানিফ বাংলাদেশি নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার নিয়াজপুর ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে। তার সঙ্গে থাকা অপর চারজন হলেন ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরের মোহাম্মদ সৌরভ, চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর নুরুল আজিম, রংপুরের পীরগাছার আবু নাসিম নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের মো. আরিফ।

