বুধবার সারা দেশেই আলোচনার জন্ম দিয়েছিল জাতীয় দলের ক্রিকেটার তামিম ইকবাল আর মেহেদী হাসান মিরাজের ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপ। যেখানে কথোপকথনে বিষোদগার করা হয় জাতীয় দলের আরেক ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমকে। সেই কথোপকথনে উঠেছিল বিপিএলে এবারের আসরের চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশালের নামও।
অবশ্য নাটকীয় ফোনালাপ প্রকাশের পর বুধবার সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে মেহেদি হাসান মিরাজ, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে এনে তামিম ইকবাল নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন, এটি মুশফিকের বিপক্ষে বিষোদগার নয়। সেটা ছিল নিছকই বিজ্ঞাপনের ভাষা। ‘নগদ’-এর একটি বিজ্ঞাপন।
তবুও তামিম-মিরাজের এমন বিজ্ঞাপন নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে দেশের মধ্যে। জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটার কি এভাবে বিজ্ঞাপন বানাতে পারেন? কেউ কেউ বলছেন এতে ক্রিকেট বোর্ডেরও সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। এবার সেই বিজ্ঞাপনের ঘটনাকে খুঁটিয়ে দেখছে বিসিবি; বোর্ডের বিজ্ঞাপন ও কমার্শিয়াল কোড অব কনডাক্ট ভঙ্গ হয়েছে কি না।
এ বিষয়ে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, ‘বোর্ডের মার্কেটিং ও কমার্শিয়াল কমিটিকে পুরো ব্যাপার খুঁটিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। যদি কোড অব কনডাক্ট ভঙ্গ হয়, তাহলে নিশ্চয়ই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শাস্তির পরিমাণও সেখানেই বলা আছে।’
তামিম জাতীয় দলের বাইরে থাকায় শাস্তির পরিমাণ কম হলেও বড় শাস্তির খড়্গে পড়তে পারেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

