একাত্তর বাংলাঃ বিভাগীয় সদর আর সিটি করপোরেশনে উন্নতি হয়েছে, গুরুত্ব বেড়েছে রংপুরের । কিন্তু রেলের ক্ষেত্রে হয়েছে অধঃগতি। দুটি আন্তঃনগরসহ ১৪টি ট্রেন বন্ধ হয়েছে বিভিন্ন সময়। ফলে সড়ক পথে বেড়েছে অস্বাভাবিক চাপ। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে কোন রকমে চলছে একটি ট্রেন। দীর্ঘ আন্দোলন চলছে আরেকটির জন্য । সমাধান না পেয়ে ক্ষোভ বাড়ছে মানুষের ।
রাজধানী ঢাকার সঙ্গে রংপুরের মানুষের রেলপথে যোগাযোগে সবে ধন নীলমণি আন্তঃনগর ট্রেনটি। ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বে বিপর্যস্ত শিডিউল । কয়েকটি বগি নিয়ে কোন রকমে টেনে টুনে চলছে, নাম তার রংপুর এক্সপ্রেস।
যাত্রীরা অভিযোগ করেন, ‘এই ট্রেন সাড়ে ছয়টা-সাতটায় আসার কথা কিন্তু তা দেড়টা-দুইটা বাজিয়ে দেয়। কখনও কখনও ভোরও হয়ে যায়। এছাড়া টিকিট পাওয়া যায় না।’
বারবার সরকার ও ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে আশ্বাস দিয়ে আন্দোলন দমিয়ে রাখা হলেও দাবি পূরণ হয়নি। তাই এবার আল্টিমেট, ১৮ মার্চের মধ্যে দাবি মানা না হলে পরদিন অবরোধ।
রংপুর বিভাগ উন্নয়ন আন্দোলন পরিষদের আহ্বায়ক ওয়াদুদ আলী বলেন, ‘১৯ মার্চ আমরা রংপুর রেলপথ অবরোধ ও ঘেরাও করবো। আমাদের দাবি আদায়ে কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করবো।’
আরও ট্রেনের চাহিদা স্বীকার করলেও নতুন কোন ট্রেন চালুর খবর জানা নেই স্থানীয় রেল কর্মকর্তার।
রংপুর স্টেশনের সুপারেনটেন্ডেন্ট শোভন রায় বলেন, ‘খুব শীঘ্রই ট্রেন দেয়া হবে কিনা তা আমরা জানা নেই।’
নগরীর আশপাশ দিয়ে এখনও সাতটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে । কিন্তু কোনটাই উঁকি দেয় না এই শহরে।

