একাত্তর বাংলাঃ ময়মনসিংহ কেওয়াটখালী শশ্মান সংলগ্ন সার্বজনীন মহামায়া ভূমিহীন কালীমাতা মন্দিরে গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১১ টায় মুক্তিযোদ্ধা পল্লীর আব্দুল হেকিম, সাইফুল, সোহাগ এর নেতৃত্বে মন্দিরের গেইটের তালা ভেঙ্গে স্বরস্বতী মূর্তি এবং ক্যাশবাক্স ভেঙ্গে নগদ অর্থ, থালা বাসন সর্বস্ব লুট করে নিয়ে যায়। মন্দিরের গেইট ভাঙ্গার প্রতিবাদ করায় অত্র ভূমিহীন পরিবারের রিনার ৭ বছরের প্রতিবন্ধী ছেলে সালামকেও মারধোর করে। এছাড়াও আবাসনে ঝুমা, আখি, কবিতাকে মারধোর করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এই ব্যাপারে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করলে কোতোয়ালী থানার এসআই জুলফিকার আলী ঘটনার তদন্তে যান। থানায় জিডি করার পরে মহামায়া ভূমিহীনের সভাপতি বাদল সরকার, সাধারণ সম্পাদক অমল দত্ত, সহ সভাপতি মো: জামাল উদ্দিন সহ মহিলাদের মুঠোফোনে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা পল্লীর আব্দুল হেকিম, রনি, সোহাগ ও সাইফুল এর নেতৃত্বে মন্দিরে হামলা চালালেও বীরদর্পে এখন পর্যন্ত মহামায়া ভূমিহীন আবাসনে এরা প্রতিনিয়তই সংখ্যালঘু পরিবার সহ মহামায়া আবাসনের সভাপতি বাদল সরকার, সাধারণ সম্পাদক অমল দে, মো: জামাল উদ্দিনকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এখন প্রশ্ন এরা কোনদলের লোক ? কার ইন্ধনে মন্দির ভাংচুর এবং সরকারী জায়গা দখলের পায়তারা করছে ? মহামায়া ভূমিহীন দরিদ্র অসহায় পরিবার সরকারী জায়গাকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু পরিবারদের ভূমিহীন আবাসন থেকে বিতাড়নের পায়তারা করছে। মন্দির ভাঙ্গার ঘটনায় পূজারীরা পূজা বন্ধ করে রেখেছেন। মহামায়া মন্দিরের উপদেষ্টা আজকের বাংলাদেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ পাল, সভাপতি রতন পাল, সাধারণ সম্পাদক অজয় সরকার মন্দির ভাঙ্গার ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে সুষ্ঠ তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক।

