বদরুল আমীন, মংমনসিংহঃ ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সাথে মাদক ব্যবসায়ীর গোলাগুলিতে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সাথে মাদক ব্যবসায়ীর গোলাগুলিতে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। নিহত মাদক ব্যবসায়ীর নাম লালু মিয়া। তার বাড়ি শহরের কৃষ্টপুর বাগান বাড়ি। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দেড়শো গ্রাম হেরোইন ও ৩শত পিচ ইয়াবা উদ্ধার করেছে। শহরের পুরাতন গুদারাঘাট বালুর চরে রবিবার রাত দেড়টার দিকে এ গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানাান, তিনি সহ ডিবির পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত এর নেতৃত্বে ডিবি’র টিম রবিবার রাতে কোতোয়ালী থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযানকালে গোপন সূত্রে খবর পান কালিবাড়ী পুরাতন গুদারাঘাট বালুরচর এলাকায় কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদক ক্রয়-বিক্রয় করছে।
রাত প্রায় দেড়টার দিকে বালুর চর এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের চেষ্টাকালে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে অতর্কিতভাবে গুলি ও ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে।
এতে দুইজন কনষ্টেবল আহত হয়। পুলিশ সরকারী সম্পদ ও আত্মরক্ষার্থে শর্টগানের ফাকা গুলি বর্ষণ করে। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি করতে করতে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে মাদক ব্যবসায়ী লালু মিয়া (৪৫) কে আহত অবস্থায় পাওয়া যায়।
এ সময় তার হেফাজত থেকে ১৫০ গ্রাম হেরোইন ও ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। আহত মাদক ব্যবসায়ীকে কোতোয়ালী থানা পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হলে কর্তব্যরত ডাক্তার আহত তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত মাদক ব্যবসায়ী লালু কৃষ্টপুর বাগান বাড়ির আক্তার আলির ছেলে। তার বিরুদ্ধে ৭ টি মাদকের মামলা সহ ৮ এর অধিক মামলা আছে।
অপরদিকে আক্রাম হোসেন, এসআই আব্দুল জলিল সংগীয়রা শহরের নতুন বাজার থেকে ৪৫টি নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ মাদক ব্যবসায়ী তোফাজ্জল হোসেনকে গ্রেফতার করে।

ছাড়া এসআই আনোয়ার হোসেন শহরের পুরোহিত পাড়া থেকে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ শাকিব, রিয়াদ ইসলাম, তন্ময় ইসলাম সাব্বির, আরাবী ইসলাম হাবিবকে গ্রেফতার করে।
অপর অভিযানে এসআই আজিজুল হক সংগীয়দের নিয়ে খাগডহর হতে ১১ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী সোলেমান ওরফে সুমন, সুমন মিয়, তৌফিকুল ইসলাম ওরফে রিপনকে এবং এসআই হাবিবুর রহমান মুক্তাগাছার মনতালা থেকে ২ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী রুহুল আমিনকে গ্রেফতার করে। এ সব ঘটনায় পৃথক মামলা হয়েছে। রবিবার তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়।

