স্টাফ রিপোর্টারঃ ঝড়ে গেলো আরেকটি তরতাজা প্রান । নগর জুড়ে আতংক ।দীর্ঘদিন ধরে ময়মনসিংহে অপরাধ ছিলো শূন্যের কোঠায় । হঠাৎ করে পরিবেশ অশান্ত হয়ে উঠার অশনি সংকেত । এবার হত্যাকান্ডের শিকার খোদ আওয়ামীলীগ দলীয় সংগঠন জেলা যুবলীগ নেতা রাসেল। রমজানের পবিত্র মাসে হত্যাকান্ড নগরবাসীর মনে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে ।
ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রেজাউল করিম রাসেল (৩৫) ছুরিকাঘাতে নিহত। সে ময়মনসিংহ শহরের পরিচিত মুখ। তাকে সবাই পিলপিল রাসেল নামেই চিনে-জানে।
রাসেল শহরতলীর শম্ভুগঞ্জ হরিপুর এলাকার জালাল উদ্দিন ওরফে জালালের ছেলে। সে শহরের আমলাপাড়া এলাকায় বসবাস করতো।
কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম বলেন, অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা রাসেলকে এ্যালোপাথারী কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে হত্যাকান্ডের কোন কারন জানা যায়নি। হত্যাকান্ডের কারন জানতে সাদা পোষাকধারী পুলিশসহ পুলিশের একাধিক মাঠে নেমেছে। এ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন অচীরেই তাদেরকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। যার পুরো বিষয়টি নজরে রেখেছে জেলা পুলিশ।
এর আগে জেলা ছাত্রলীগের আরেক সহ সভাপতি আশফাক আল রাফি শাওন দুর্বৃত্তদের গুলিতে একই এলাকায় নিহত হয়েছে। রাসেল হত্যাকান্ড নিয়ে ইতিমধ্যে শহরের নানা আলোচনার ঝড় বইতে শুরু করেছে।
নিহত রাসেল ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের যুগ্ন আহ্বায়ক ।
কোতোয়ালি মডেল থানার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ.এস.পি) মো. আল-আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, রাসেলের পিঠে ছুরিকাঘাতের দুটি (২) চিহ্ন দেখা গেছে। তবে, কারা তাকে হত্যা করেছে সে ব্যাপারে জানা যায়নি।
এদিকে নিহত যুবলীগ নেতা রাসেলের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত রাসেলের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি।বিষয়টি তদন্ত করার পর সেটি নিয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

