সুমন ভৌমিকঃ মোহিত উর রহমান শান্ত আসন্ন ৫ মে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রাথী হিসেবে সর্বাধিক আলোচিত একটি নাম। তিনি ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে বর্ষিয়ান নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এর সন্তান। পিতার আদর্শে একজন ছাত্রলীগ কর্মী হয়ে রাজনীতিতে যার অভিষেক। সেই কর্মী মানুষটি ধাপে ধাপে আজ ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বিগত সরকার বিরোধী ও জোট সরকারের আমলে ত্যাগ-তিতিক্ষা ও কারা-নির্যাতিত হয়ে তিনি আজ জনগণের পরীক্ষিত কাঙ্খিত সফল নেতা।
আজ-কাল দেখা যায় টাকা জোরে পদ পেয়ে কেউ কেউ নেতা হয়েছেন। তারা কর্মী হতে চান না! তাদের রাজনীতিতে নেই কোন ত্যাগ এবং হন নি কখনো নির্যাতিত।
সূত্র জানিয়েছে, অনেকে জেলা ও মহানগরে পদ বাগিয়ে সহ-সভাপতির মত বড় বড় পদ দখল করে আছেন অর্থের জোরে। যা বঙ্গবন্ধুর আদশের্র পরিপন্থী! তৃণমূল থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না থেকেও হঠাৎ করে বড় রাজনৈতিক নেতা হয়েছেন! রাজনীতিতে ব্যক্তিত্ব, চেতনা ও আদর্শ না থাকলে সেই নেতা জনপ্রতিনিধি হিসাবে বেমানান নয় কি? বতর্মান রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অভাব থাকায় রাজনীতিতে অনুপ্রবেশ ঘটেছে এবং পরীক্ষিত নেতাদের পরিবর্তে বিত্তশালী ব্যবসায়ীরা স্থান পেয়েছে বিভিন্ন কমিটিতে। তাদের সন্ত্রাস, অর্থ-সম্পদ, কালো টাকা ও পেশিশক্তির দাপটে সৎ, যোগ্য, মেধাবী রাজনীতিবিদরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। যারা অর্থ ও পেশিশক্তির জোরে রাজনীতির মাঠ দখলের চেষ্টা চালিযে যাচ্ছেন তাদের কাছ থেকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের জনগণ ভাল জনসেবা আশা করতে পারে না। সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দ থাকলেও জনগণের আশা-আকাঙ্খা ও প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না। তারা অর্থের জোরে দলীয় মনোনয়ন পান এবং যার কারণে সাধারণ মানুষ প্রকৃতপক্ষে কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারন মানুষ মনে করেন।
মোহিত উর শান্ত ছাত্রলীগ থেকে আওয়ামী লীগ দীর্ঘ পরীক্ষিত তার সংগ্রামময় জীবন। সাংগঠনিক দক্ষতা ও বঙ্গবন্ধু আদর্শে লালিত স্বপ্ন ধারনকারী ময়মনসিংহের সবচেয়ে জনপ্রিয় নতুন প্রজন্মের তরুণ নেতা। ময়মনসিংহ জনগণের প্রয়োজনে তাকে এগিয়ে যেতে হচ্ছে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়। আজাদ হত্যা মামলায় তাকে ফাঁসানো হয়েছিল। জেলা পর্যায়ের কতিপয় নেতা বিচার দাবীতে আজাদের স্ত্রীকে নিয়ে একই মঞ্চে বসে বিচার দাবী করেছিল।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ব্যর্থ হয়ে কুচক্রী মহল কতিথ রনি অপহরনের নামে শান্তকে প্রধান আসামী করে একটি জজ মিয়া নাটক সাজিঁয়েছিল। যা ময়মনসিংহের বিচক্ষণ জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে ব্যর্থ হয় । তিনি নীতি ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি বলেই তাকে বারবার জেল, জুলুম ও নিযার্তন সহ্য করতে হয়েছে। নির্যাতিত গণমানুষের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর এই নেতা জনগণের যে কোন সমস্যা শোনেন ও আশু সমাধানও দেন। শান্ত সত্যিকার অর্থে খাঁটি দেশপ্রেমিক, তার রাজনৈতিক চেতনা ও আদর্শের কারনে সাধারন মানুষ তাকে ভালো বেসেছেন এবং তিনি তাদের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ। যার ডাকে হাজার হাজার জনতা যে কোন সমাবেশে সমাবেত হয় তার আবেগময় বক্তিতা শোনার অপেক্ষায়। তিনি নীতি-আদর্শ চেতনার সঙ্গে কখনো আপোস করেননি। রাজপথ কাঁপানো এই সফল নেতা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে জননেত্রী শেখ হাসিনা হাতেকে শক্তিশালী করতে মোহিত উর রহমান শান্ত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের জনগণ সৎ, দেশপ্রেমিক, নীতি-আদর্শ চেতনার বিশ্বাসী ও কারা নির্যাতিত পরীক্ষিত নেতা শান্তকে আগামী ৫ মে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী হিসাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবি জানিয়েছেন।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এর সাধারন জনগণ ও ভোটারা অনুভব করছেন হৃদয় থেকে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা, ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্তই সিটি কর্পোরেশন এর প্রথম মেয়র হচ্ছেন।

