একাত্তর বাংলাঃ আমাদের বেশিরভাগ মানুষের প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে ফেসবুক।
একমাত্র ফেসবুকই হচ্ছে আবেগ, ভালবাসা, রাগ, ক্ষোভ, জেদ, হিংসা, প্রতিযোগিতা, অহংকার, আত্মঅহংকার, লোভ বিশাল জায়গা করে নিয়েছে।
এমনকি প্রতিটি অনুভূতি আজ এই মার্কজুকারবার্গের ফেসবুকেই আটকে গেছে।
ফেসবুক দিয়ে আমরা উপকৃত হচ্ছি না ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি হয়তো অদূর ভবিষ্যতে এর ব্যবহারের পদ্ধতিই পথ বাতেলে দিবে। তবে এটা বলব ফেসবুক আমাদের অনুভূতি গ্রাস করেছে।
আমাদের দেশের চলমান রাজনীতিতে ফেসবুকের অবদান অনস্বীকার্য । তবে এটাও ঠিক যে রাজনীতির আজকের এই দু:সময়ে আমরা কোন না কোনভাবে এই ফেসবুকের দ্বারা ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।
অনেকেই হয়তো এর পক্ষে যুক্তিতর্ক করতে পারবে কিন্তু যুক্তি খন্ডালে নিজের মনকে একবার জিজ্ঞাসা করল্তেই পরিস্কার হয়ে যাবে ক্ষতিকর প্রভাব।
ফেসবুক শুধু ক্ষতি করে তা কিন্তু নয় । আমাদের উচিৎ ফেসবুক থেকে ভাল দিক শিক্ষা গ্রহন করে কিভাবে আমরা সার্বিকভাবে পিছিয়ে পড়ছি সে অবস্থা হতে উত্তরণ করা।
আধুনিকতার নামে আসলে কি করছি আমরা । সময় কি নষ্ট হচ্ছে। আমরা আমাদের সন্তানের হাতে যখন স্মার্ট ফোন দিচ্ছি তখন কি এর যতার্থতা সম্পর্কে সঠিক দিকনির্দেশনা দিচ্ছি ?
তাহলে কি মূল্যবান জীবনের অবদান আমরা ভাগ করে দিচ্ছি বা স্মৃতি সংরক্ষণের নামে তা অন্যকে দিয়ে দিচ্ছ।
রাজনৈতিক দক্ষতা এখন ফেসবুকে। অবস্থা দৃষ্টে এমন মনে হয় যেন ফেসবুকের একটি প্রোগ্রাম করার সাথে সাথেই প্রমাণ সরুপ সেই ছবি যদি তুলে ফেসবুকে আপলোড দিলেই কর্মসূচী সুপারহিট ।
কিন্তু আসলেই সেই প্রোগ্রামগুলোর প্রমাণ সরূপ ফেসবুকিং তাদের উপকারে আসছে মনে হয় না।
মানুষ এখন তার সমস্ত জেদগুলো সব ফেসবুকে লিখেই রাগ ঠান্ডা করে ফেলে । এটাই একমাত্র মত প্রকাশের জায়গা কিন্তু একবার ভেবে দেখুন তো সেই জেদ শেষ পর্যন্ত সুবাতাস বয়ে আনতে পারে কি ।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের বড় মাধ্যেম ফেসবুক ।মানুষের নৈতিক অবক্ষয়ের কারণ এখন ফেসবুক।
যদিও ফেসবুক এর উপকারীতা অনস্বীকার্য তবুও ফেসবুক আমাদের অবশ্যই কোন না কোনভাবে পথচ্যুত করছে ।

