চীফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দূর্ভোগ নিয়ে ভুক্তভোগীর ফেসবুকে আবেগঘন স্টেটাসে শহর জুড়ে আলোচনা বিদ্যমান।
সাম্প্রতী ফেসবুকে পোস্ট করা ব্যক্তিটি হলেন Shakespear Mahmud Wakil । ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তিনি Former Director (company) at Onudan mosso hachary।

নিম্নে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেম ফেসবুক-এ করা পোস্টটি হুবুহু তুলে ধরা হলো:
‘প্রশাসন ও সাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সু দৃষ্টি কামনা করছি। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সেরা হাসপাতালের স্বিকৃতি পেয়েছে। ধিক্কার জানাই এদের সেবার মান কে। ঘটনা টি দুঃখজনক হলেও সত্য।
গত শুক্রবার 03/05/19 তারিখ রাত প্রায় 12:30 ঘটিকায় আমার ছোট ভাই আশিকুর রহমান এরশাদ দু চোখের অসহ্য যন্ত্রণায় কাতর হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সরনাপন্ন হই। রোগীকে ভর্তির পর চার তলায় 18 নং ওয়ার্ডে যেতে বলে। সেখানে গিয়ে দেখি চার তলায় 18 নং ওয়ার্ড কোথাও নেই। পূর্বের ওয়ার্ড ভাঙ্গা কাজ চলিতেছে। এমনকি এই বিষয়ে কাউকে জিজ্ঞাসা করব তেমন কোন লোকজন কে খুজে পাইনি।
এদিকে রোগীর ছটফট ও কান্নাকাটির শব্দ শুনে একজন ব্যক্তি এগিয়ে আসলে তাকে 18 নং ওয়ার্ড বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে ওনি কেবিনের 38 নং ওয়ার্ড ও তৎসংলগ্ন নার্সের রুম দেখিয়ে দেন। সেখানে অনেক ডাকাডাকির পর একজন নার্স দরজা খোলে ভর্তির কাগজ নিয়ে আমাদের কে অপেক্ষা করতে বলেন। প্রায় এক ঘন্টা বসে থাকার পর আবার নার্স কে ডাকলে ওনি বলেন এইমুহুর্তে ডাক্তার নেই ও কর্তব্যরত ডাক্তার ফোন রিসিভ করেনা।
এমনকি ওনি প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।এবং বলেন ইতিমধ্যে অনেক রোগী ডাক্তার না পেয়ে ফিরে গেছেন।আমিও ডাক্তার কে 01717 387726 বারবার ফোন করলে রিসিভ করে নাই।
পরে সেখানে থাকা অভিযোগ নাম্বার 01783 546067 নাম্বারে ফোন দিলে কেউ রিসিভ করেনি। পরে বাধ্য হয়ে আবার ইমারজিনসি বিভাগে কর্তব্যরত জনৈক ব্যক্তি শামসুর রহমানকে বিষয়টি অভহিত করলে ওনি আমাদের বলেন দিনের বেলায় আসেন এইমুহুর্তে আমার কিছু করার নাই। এদিকে রোগীর অবস্থা আরো শোচনীয়।
প্রায় তিন ঘন্টা সময় কাটিয়ে বিমুখ হয়ে অবশেষে চুরখাই CBMC হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে রোগী শংকামুক্ত হয়।’
ওয়াকিল এর পোস্টটি এ পর্যন্ত লাইক ও কমেন্টেস এর সাথে শেয়ার এর ছড়াছড়ি হয়ে এখন ভাইরাল। তার করা পোস্টটি তে লাইক এর সংখ্যা ৪৬৮ এবং কমেনট করেছেন ২৬৯ জন , সেই সাথে শেয়ার করেছে ১৩৪ জন।
কমেন্টকারী একজন হলেন K Zaman Khan খান। তিনি বলেন ‘ Treatment tu hoyeena right uggestions ta porjonto deyna, foley ekta rogi k more kharap kore dey’।
S M Razibul Islam লিখেছেন ‘মুখ দিয়ে বললেই সেবক হওয়া যায়না’
অপর একজন ক্ষুদ্ধ ব্যক্তি ‘Nurunnabi Islam Bulbul লিখেছেন ‘এরা আওমিলিগের ডাঃ। কিছু বলা যাবে না । এরা ডাঃ লীগ । খানিস হাইওয়ান খরভুত ‘।
‘মমেক’ মেডিকেল এর বিগ্রেডিয়ার মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করে Romjan Torofdar লিখেছেন ‘স্যার আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আপনি আশার পর থেকে এমন খবর আমাদের সাধারণ মানুষকে কমি শোনাতে হয়েছে এর একটা বিচার চাই আপনার কাছ থেকে।’
MD Abu Hanifa লিখেছেন ‘দায়িত্বহীনতা ওদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে’।
সাঈদ বিন শিহাব নামের একজন লিখেছেন ‘ওরা চেম্বার নিয়ে ব্যস্ত থাকে’।
ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালের সুনাম ক্ষুন্ন করতে অনেক রাঘব বোয়াল’রা ঘাপটি মেরে বসে আছে বলে অনুমান করছেন ময়মনসিংহের স্বাস্থ্যবিদগন।
তারা বলেন, এহেন ধরনের ন্যাক্কর জনক কর্মকান্ড যদি বিদ্যমান থাকে তবে ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের অসৎ উদ্দেশ্য সাধনে কার্যকরী হবে। যার ফলে স্বাস্থ্যসেবায় সারাদেশে ‘মমেক’ এর ধারাবাহিক সাফল্যে ছেঁদ হবে। ভেঙ্গে পড়বে ময়মনসিংহের স্বাস্থসেবা খাত।
তারা্ আরো বলেন, এই ধরনের কাজের সাথে যারাই জড়িত হোক, তাদের শাস্তির আওতায় এনে স্বাস্থ্য সেবার এই মন্দিরের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে হবে।

