শাকিল হাসান জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপের জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চলছে। উপজেলার একটি ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণ ও ছবি তুলতে বাঁধা ও অসদাচরণ করার অভিযোগ উঠেছে এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে বকশিগঞ্জ পৌরসভার নিলাখিয়া পাবলিক কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। পরে সাংবাদিকেরা বিষয়টি সেই এসিল্যান্ডের কাছে জানতে চাইলে কোনো কথা না বলে তাঁর সরকারি গাড়িতে উঠে চলে যান।
প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকেরা জানান, সকালে ওই ভোট কেন্দ্রের একটি কক্ষে ইভিএমে প্রতীক না আসার অভিযোগ তোলেন ভোটাররা। বিষয়টি নিয়ে জানতে গেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা-উল হুসনা দুইটি বেসরকারি টেলিভিশনে গণমাধ্যম কর্মীকে ছবি-ভিডিও করতে বাঁধা দেন। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচারণসহ ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেন।
এরপর উপস্থিত সাংবাদিকেরা নিচে নেমে সিনিয়র সাংবাদিকদের জানান। সেখানে থাকা ১০-১৫ জন সাংবাদিক এসিল্যান্ডের সাথে কথা বলার জন্য আধাঘণ্টা অপেক্ষা করেন। পরে এসিল্যান্ড দোতলা থেকে নিচে নেমে এলে ঘটনার কারণ জানতে চান সাংবাদিকেরা। কিন্তু এসিল্যান্ড কোনো উত্তর না দিয়ে তড়িঘড়ি করে পুলিশ পাহারায় চলে যান।
এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমাউল-উল-হুসনা সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নাই। আপনার কিছু জানার থাকলে নির্বাচনের পর অফিসে আইসেন।’
এদিকে এ নিয়ে জানার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শীতেষ চন্দ্র সরকারের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শানিয়াজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘গোপন বুথের ভিডিও ও ছবি তোলা যাবে না। এ ছাড়া গণমাধ্যমকর্মীরা সবকিছুর ভিডিও ও ছবি তুলতে পারবেন। তবে একটি কেন্দ্রে বেশি সময় অবস্থান করতে পারবেন না। সাংবাদিকদের কাজে বাঁধা দেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নাই। খোঁজখবর নিয়ে বিষয়টি দেখা হবে।’

