একাত্তর বাংলাঃ প্রতি বছরই ভালোবাসা দিবসে পর্যটকমুখর হয়ে ওঠে কক্সবাজার। এরই মধ্যে চার শতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টের শতভাগ বুকিং হওয়ায় এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে নানা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে লাইফ গার্ড ও টুরিস্ট পুলিশ।
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। এমনিতেই পর্যটন মৌসুমের বাড়তি চাপ। তার সাথে ভ্যালেন্টাইন্স ডে। সব মিলিয়ে সৈকত শহরে সাজ সাজ রব।
প্রতিবছর ভ্যালেন্টাইন্স ডে’তে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সৈকতে ছুটে আসেন হাজার হাজার পর্যটক। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছেনা। ইতোমধ্যে হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলো শতভাগ বুকিং হয়ে গেছে। তাই পর্যটকদের জন্য হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলো সাজছে ভিন্ন সাজে, থাকছে নানা আয়োজন। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন ব্যবসা হবে জমজমাট।
কক্সবাজার ভ্রমণে এসে বেশির ভাগ পর্যটক ভিড় জমান সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে। তাই এই ৩টি পয়েন্টে পর্যটকদের সমুদ্র স্নানে নজরদারি বাড়ানোর কথা জানালেন লাইফ গার্ড সংস্থার কর্মকর্তা।
কক্সবাজার সী-সেইভ লাইফ গার্ড ইনচার্জ মো. শুক্কুর বলেন, আমাদের নিয়মিত লোকজনের সাথে বিশেষভাবে ভলান্টিয়ার যোগ করা হবে।
আর টুরিস্ট পুলিশের কর্মকর্তা জানান বিপুল সংখ্যক পর্যটক আগমনের কথা মাথায় রেখে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, ২৪ ঘণ্টা দৃশ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা সৈকতে থাকবে। তাছাড়া আলাদা সিভিল টিম রাখা হবে হোটেল-মোটেলের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য।
হোটেল মালিকদের দেয়া তথ্য মতে গত বছরের ভ্যালেন্টাইন্স ডে’তে কক্সবাজারে দেড় লাখ পর্যটক বেড়াতে আসেন। তবে এবছর তা ৩ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে আশা ব্যবসায়ীদের।

