একাত্তর বাংলাঃ হাজিরার নির্দেশনা থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়াকে আজ আদালতে হাজির করেনি কারা কর্তৃপক্ষ।
ফলে এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত মূলতবি করেছেন আদালত। একই সঙ্গে ওইদিন পর্যন্ত বেগম জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এদিকে, এ মামলাকে কেন্দ্র করে আদালত জুড়ে নেয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়াকে হাজির করার নির্দেশনা থাকায় বুধবার সকাল থেকেই আদালত ও কারাগারকে কেন্দ্র করে নেয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
উভয়পক্ষের আইনজীবীরা যখন আদালতে বেগম জিয়ার হাজিরের অপেক্ষা করছিলেন, ঠিক তখন কারা কর্তৃপক্ষ চিঠি মারফত আদালতে জানায়, বেগম জিয়া অসুস্থ তাকে হাজির করা সম্ভব নয়।
সকাল পৌনে এগারোটার দিকে আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে দুদকের আইনজীবী, বেগম জিয়াকে হাজির না করার বিষয়টি আদালতকে জানান। পরে আদালত ৫ এপ্রিল পর্যন্ত এ মামলার কার্যক্রম মূলতবি করেন।
আইনজীবী কাজল বলেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় বেগম জিয়ার দেখভাল করার দায়িত্ব কারা কর্তৃপক্ষের। কারাকর্তৃপক্ষ যদি হাজির না করে এখানে আমাদের বলার কিছুই নেই।
এদিন বেগম জিয়ার আইনজীবীরা, তার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানালে তা মঞ্জুর করেন আদালত। জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয় ৫ এপ্রিল পর্যন্ত।
বিএনপির আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, কারাগারে অসুস্থ থাকায় বেগম জিয়া আদালতে আসেন নাই। তবে কি রোগে ভুগছে। এই ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে ও প্রসিকিউশনেরে পক্ষ থেকে কোন কিছু জানানো হয়নি
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট বেগম জিয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করে দুদক।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় এক মাস ২০ দিন ধরে কারাগারে আছেন তিনি।

