একাত্তর বাংলাঃ-
বিভিন্ন স্থানে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হামলার ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘ঘটনাগুলো তদন্ত করে দোষী শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই তদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে’। একইসঙ্গে ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন- সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে মাঠ প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) যশোরে খুলনা বিভাগের দশ জেলাসহ ১৩ জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল সাড়ে ১০টায় যশোর শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক মিলনায়তনে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, সবধরনের অনিয়ম, কারচুরি ও দখলদারিত্ব প্রতিহত করে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করা মাঠ প্রশাসনের দায়িত্ব। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে স্বাধীনভাবে কেন্দ্রে ভোট দিতে যেতে পারেন- সেই পরিবেশ আপনারাই নিশ্চিত করবেন। নির্বাচনের মাঠের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো পর্যন্ত ভালো। যে কোন মূল্যে নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে হবে। রিটার্নিং অফিসারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে শুধু নির্বাচনী কর্মকর্তারাই থাকবেন। সেখানে কোনো অনিয়ম, কারচুপি, দখলদারিত্ব যেন না হয় তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ভোটাররা স্বাধীনভাবে যাতে ভোট দিতে পারেন সেটা নিশ্চিত করা হবে।
সিইসি আরও বলেন, আমরা মাঠ প্রশাসনকে বলেছি, ভোট কেন্দ্রের ভেতরে শুধু থাকবেন প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা। কোন ধরনের কারচুপি, দখলদারত্ব ও পেশিশক্তির প্রয়োগ না হয়। এসব বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় ও যশোর জেলা প্রশাসনের যৌথ ব্যবস্থাপনায় এসব সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার হেলাল মাহমুদ শরীফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাঙ্গীর আলম। উপস্থিত ছিলেন- খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মঈনুল হক, যশোরের জেলা প্রশাসক আবরাউল হাছান মজুমদার, পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দারসহ খুলনা বিভাগের দশ জেলা ও ঢাকা বিভাগের ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ এবং রাজবাড়ী জেলার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর ২৯০ জন কর্মকর্তা।

