একাত্তর বাংলাঃ বিএনপি গণতন্ত্রে ও জনগণের ভোটে বিশ্বাস করে না বলেই বিদেশীদের কাছে ধর্ণা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকীতে মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, বিএনপি নেত্রীকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার ইচ্ছা আওয়ামী লীগের নেই।
খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমানে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আমরা মধ্যম আয়ের দেশ ছিলাম কিন্তু এখন উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি।
উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার জন্য যে ৩টি সূচক লাগে সেগুলোতে আমরা উন্নীত হতে পেরেছি।’
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সৎ নেতৃত্বের কারণে এত আগুন সন্ত্রাসের দেশকে উন্নতির মহাসড়কে রেখেছেন। আমাদের এত বড় অর্জন নিয়ে বিএনপির কোনো বক্তব্য খুঁজে পাবেন না। বিএনপির কোনো প্রশংসনীয় বক্তব্য নেই। দেশের এই উন্নয়নের প্রশংসা করতে তাদের কৃপণতা বোধ হয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘এক রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমার খারাপ লাগে এই ভেবে যে, বাংলাদেশের দুর্নীতি দায়ে বিএনপি নেত্রী আজ কারাগারে। এতিমদের টাকা মেরে খাওয়ায় তিনি আজ আজ কারাগারে। সুতরাং তার জামিন স্থগিত হলে এতে সরকারের কিছু করার নেই। আইন সবসময় সবার জন্য সমান। আইন নিজের গতিতেই চলবে। আইনের চোখে সবাই সমান । আইনের চোখে খালেদা জিয়া যেমন সাধারণ মানুষও তেমন। মানুষকে কষ্ট দিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তি সম্ভব নয়।’
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কিনা তা সুপ্রিমকোর্ট বা উচ্চ আদালতের ওপর নির্ভর করে। আমরা তাকে নির্বাচনে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করছি না। এতে আমাদের কোন হাত নেই। নির্বাচন যথাসময়ে হবে। নির্বাচন কমিশন সময়মত সব নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন।
এসময় অহেতুক মিথ্যাচার না করে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হতে আহবানও জানান তিনি।

