একাত্তর বাংলাঃ উচ্চ শুল্ক ও পর্যাপ্ত অবকাঠামো সুবিধার অভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে পর্যটন শিল্পের বিকাশ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাড়তি খরচের কারণে বাংলাদেশ ভ্রমণে আগ্রহী হচ্ছেন না পর্যটকরা। এতে সরকারও কাঙ্খিত রাজস্ব পাচ্ছে না বলে মনে করেন রাজধানীতে শুরু হওয়া ‘ফুড অ্যান্ড হসপিটালিটি বাংলাদেশ এক্সপো’তে আসা উদ্যোক্তারা।
আর বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে সরকারকে রপ্তানি সহায়ক পরিবেশ তৈরির আহ্বান খাদ্যপণ্য উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলোর।
দৃষ্টিনন্দন স্টলগুলোর তাকে সাজিয়ে রাখা হয়েছে সুগন্ধি চাল, ডাল ও চিনিসহ নানা খাদ্যপণ্য। হরেক পদের আচার ও মধুসহ প্রক্রিয়াজাত খাবারও মিলবে।
দেশীয় খাবারকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে শুরু হয়েছে খাদ্য ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট খাত নিয়ে তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী। এই প্রদর্শনী চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত।
প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, মালয়েশিয়াসহ সাতটি দেশের ১৫০ টি ব্র্যান্ড ও ৫০ জন ক্রেতা অংশ নিয়েছেন। এতে পর্যটন শিল্পের সমস্যা ও দেশীয় খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।
তারা বলেন, আমাদের হোটেলগুলোতে নব্বই শতাংশ অতিথি পাই সোম, মঙ্গল ও বুধবার এই তিন দিনে। বাকি দিনগুলোতে ৩০ শতাংশ অতিথি থাকে। এরা বেশিরভাগই ব্যবসায়ী। খাবার ও হোটেল ভাড়াসহ অন্যান্য খরচ বেশি হওয়ায় পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে পারছি না আমরা।
সিটি গ্রুপের সেলস এন্ড মার্কেটিংয়ের নির্বাহী পরিচালক জাফর উদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, সিটি গ্রুপের সবগুলো প্রোডাক্টই বিদেশে এক্সপোর্ট করার মতো। যদি সরকারের তরফ থেকে সহজ একটা পরিবেশ তৈরি করে দেয়া হয়, এক্সপোর্ট করার প্রতি মানুষ উৎসাহ পাবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশীয় খাদ্যপণ্যের প্রশংসা করার পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের বিকাশে দিক নির্দেশনা দিলেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।
তিনি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত, ও বড় ম্যানগ্রোভ বন আমাদের দেশে অবস্থিত। সব পর্যটন স্পট বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে হবে আমাদেরকেই। তাই আমি মনে করি এসব প্রদর্শনী শুধু ঢাকা কেন্দ্রিক হলে চলবে না, বিদেশেও প্রদর্শনী আয়োজনের উদ্যোগ নেবো আমরা।

