একাত্তর বাংলাঃ ২০১৭ সালের ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জেসিয়া ইসলাম। কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার নামে অপপ্রচার চালাচ্ছেন কে বা কারা। আর এ নিয়েই ক্ষুদ্ধ হয়ে মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মিন্টো রোডের ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে যান জেসিয়া ইসলাম। সেখানে তিনি অপপ্রচার ও মানহানির অভিযোগ দায়ের করেন।
জেসিয়ার অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের সাইবার অপরাধ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নাজমুল ইসলাম। এরই মধ্যে সাইবার অপরাধ বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।
এ ব্যাপারে জেসিয়া বলেন, কয়েক দিন ধরে আমাকে নিয়ে ফেসবুকে কিছু ভুয়া আইডি আর ভুয়া ভিডিও বানিয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে।
অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে অভিযোগ দায়ের করেছি। আশা করছি শিগগিরই পুলিশের সাইবার অপরাধ বিভাগ সংশ্লিষ্টদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসবে এবং ওই সব ভুয়া কনটেন্ট ইন্টারনেট থেকে মুছে দেবে।’

এদিকে, ইউটিউব কন্টেন্ট বানিয়ে নানা সময়ে আলোচিত-সমালোচিত সালমান মুক্তাদিরের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমছে। সম্প্রতি ‘অভদ্র প্রেম’ শিরোনামে একটি মিউজিক ভিডিও আপলোডের পরই ঝড়ের গতিতে কমতে থাকে তার সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা।
ফেব্রুয়ারির ৯ তারিখ ওই ভিডিওটির ‘ফার্স্ট লুক’ আপলোড করেন সালমান।
ওইদিনই রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে ইউটিউবে আসে ‘অভদ্র প্রেম’। ওই সময়ে তার চ্যানেলে ১৩ লক্ষাধিক সাবস্ক্রাইবার থাকলেও এখন সেটা কমে এখন ১০ লাখ ৯০ হাজারের কিছু বেশি। তবে এখনও সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা কমছেই।
এ বিষয়ে সালমান মুক্তাদির সংবাদ মাধ্যেম’কে বলেন, আসলে এটা অনেক বড় একটা ভুল বোঝাবুঝি। অনেকেই মনে করছে আমি ইউটিউবের আনসাবস্ক্রাইবার নিয়ে অনেক চিন্তিত, কিন্তু আমি একটুও তা নই। কেননা আমার লয়্যাল সাবস্ত্রাইবাররা ঠিকই রয়ে গেছেন। যারা আমাকে ভালবাসেন তারা ঠিকই আমার পাশে আছেন এবং থাকবেন।
তবে সালমান জানান তার ভিডিওটি বিভিন্ন খারাপ সাইটগুলোতে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তিনি চিন্তিত। তিনি মনে করেন, ভিডিওটাকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করা হচ্ছে। সালমান বলেন, এতে করে আমাকে আমার ভক্তদের কাছে খারাপ প্রমাণিত করা হচ্ছে।
চলতি মাসের ৬ তারিখ সালমান দ্য ব্রাউন ফিস নামের চ্যানেলে অভদ্র প্রেমের টিজার আপলোড করেন সালমান। তখন থেকেই শুরু হয় সমালোচনা। ওই ভিডিওকে সমাজ-সংস্কৃতি পরিপন্থী বলে মন্তব্য করে অনেকেই সালমানকে পরিত্যাগ করার আহ্বান জানান। অনেক ইউটিউবারও সামিল হন ‘সোশ্যাল মিডিয়া আন্দোলনের’ সঙ্গে। নিজের ফলোয়ারসহ সকলকে আহ্বান জানান সালমানের চ্যানেল আনসাবস্ক্রাইব করতে।

