কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: নার্স শাহিনুর আক্তার তানিয়াকে (২৪) গণধর্ষণ মামলায় ড্রাইভার নূরুজ্জামান নূরু ও হেলপার লালন মিয়ার নিজেদের জড়িত করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দীতে অপর আসামী বোরহান এখনও অধরা।
গতকাল বুধবার কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে হাসপাতালের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহাব মোঃ আইন উদ্দিন, স্বাস্থ্য বিভাগের উপ-পরিচালক (অব:) ডা. মো. মুক্তাদির ভূঞা, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাজরিনা তৈয়ব, বণিক সমিতির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম, ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধি মাও. সাঈদ আহম্মদ, সাংবাদিক সারোয়ার হোসেন, রেনেসাঁর পরিচালক মো. সাদেক, মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভ সমিতির সভাপতি হাদিউল ইসলাম, ব্যবসায়ী ফারুক আহম্মেদ প্রমুখ।
বক্তারা নার্স তানিয়াকে চলন্তবাসে গণধর্ষণ শেষে হত্যার ঘটনায় প্রকৃত জড়িতদের দ্রুত বিচার আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন।
প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসাবে অপরাধীদের শাস্তির দাবীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে কটিয়াদী রক্তদান সমিতি প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, গত ৬ মে সোমবার রাতে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালের স্টাফ নার্স শাহিনূর আক্তার তানিয়া স্বর্ণলতা পরিবহন যাত্রীবাহি বাসে করে তার গ্রামের বাড়ীতে আসার পথে রাত সাড়ে আটটার দিকে বাজিতপুর উপজেলার বিলপাড়-গজারিয়া নামক স্থানে নার্স তানিয়াকে গণধর্ষণ শেষে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাজিতপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সারোয়ার জাহান বলেন, স্বর্ণলতা বাসের ড্রাইভার নুরুজ্জামান নুরু ও হেলপার লালন মিয়া কিশোরগঞ্জ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল মামুনের নিকট স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এ ঘটনায় ধর্ষণ ও হত্যার সাথে চালক নূরুজ্জামানের খালাতো ভাই বোরহান উদ্দিন জড়িত থাকার বিষয়ে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন।

