নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ময়মনসিংহ শহরের প্রায় প্রতিটি সড়কেই গরুর অবাধ বিচরণেরর ফলে সড়কে জনসাধারনের চলাচলে বিঘ্নিতা সৃষ্টি হয়। এ অবস্থা দীর্ঘদিনের।
তবে,গত রবিবার থেকে নগরের সকল সড়কে গরুর অবাধ চলাচল বন্ধের উদ্দেশ্যে, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন গত ১০ জুন লিখিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এবং গতকয়েকদিন মাইকিং করে প্রচার করা হয়।
সিটি কর্পোরেশনের বিজ্ঞপ্তিতে গরুসহ সব ধরনের গবাদিপশুর মালিকদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ নগরের বিভিন্ন সড়কে যত্রতত্রভাবে বিচরণ করা গরুসহ সব ধরনের গবাদিপশুকে নিজ নিজ বাসস্থানে রেখে প্রতিপালন করার নির্দেশ জারি করা হয়।
ময়মনসিংহ সসিটি কর্পোরেশনের বিজ্ঞপ্তির নির্ধারিত সময়ের পর,অবাধে বিচরনকৃত ধৃত্য গবাদি পশু, গতকাল মঙ্গলবার (১৮জুন) নগরীর টাউনহল মাঠে নগরীর সড়কগুলোতে অবাধে বিচরণকৃত দু’টি গরু জনসম্মুখে প্রকাশ্যে ডাকের মাধ্যমে নিলাম বিক্রি করা হয়। দুটি গরুর মাঝে সানকীপাড়ার হেলালউদ্দিন ভ্যাটসহ সাতহাজার দুইশত বিশটাকা অন্যটি বাদেকল্পার জীবন মিয়া ছয়হাজার একশত বিশটাকা দিয়ে নিলামে ক্রয় করে।
এতে সিটি কর্পোরেশনের সচিব আব্দুল হালিম, হিসাব রক্ষণ অসীম কুমার সাহা, সহকারী প্রকৌশলী জহুরুল হক, এসেস্ট সহকারী সিদ্দিকুর রহমান, বাজার পরিদর্শক খন্দকার জাহাঙ্গীর, সার্বিক তও্বাবধানে ছিলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
সূত্রে জানা যায়, নগরের প্রধান প্রধান সড়ক ও ছোট সড়কগুলোতে গরুর অবাধ বিচরণ। বিশেষ করে পুরোহিত পাড়া, ডিবি রোড, চরপাড়া ও কাচারি সড়কে দিনের ব্যস্ততম সময় এবং রাতে গরু দল বেঁধে বিচরণ করে। এতে নাগরিকেরা ভোগান্তিতে পড়েন। দিনের বেলায় স্কুলগামী ছোট ছোট শিশু গরুর কারণে সড়কে অবাধে যাতায়াত করতে পারে না। এসব কারণে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দাবি ছিল, নগরের সড়কগুলোতে গরুর বিচরণ যেন বন্ধ করা হয়।
তবে, গরুর মালিকেরা প্রভাবশালী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ময়মনসিংহ নগরের সড়কগুলোতে অবাধে গরু বিচরণ করলেও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতো না। এ ছাড়া আইনের সীমাবদ্ধতার কারণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না।
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. ইকরামুল হক বলেন, নাগরিকদের সুবিধার জন্য গবাদিপশুর যত্রতত্র বিচরণ বন্ধ করা হচ্ছে। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে তিনি নগরবাসীর সার্বিক সহযোগীতা চেয়েছেন।

