রবিউল ইসলাম, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ
শাখাওয়াত আলম মুকুল। বর্তমান সরিষাবাড়ীর মানুষের নিকট একটি পরিচিত নাম। সরিষাবাড়ীর সাধারণ দিনমজুর, রিকসাওয়ালা, কৃষক থেকে শুরু করে মিড়িয়া প্রশাসন পর্যন্ত সকলেই তাকে এক নামে চিনে। আর চিনবারই কথা বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার মুরাদ হাসান, এমপি’র প্রতিনিধি। কিছু আলোচনা সমালোচনা থাকলেও আসলে তিনি তার কাজে কি প্রমাণ করে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি সরিষাবাড়ীর একজন নাগরিক হিসেবে আমি তার বিষয়ে তুলে ধরতেই পারি।
২০০১ সালে তিনি প্রথম রাজনীতিতে পদচারণা করেন। পরবর্তীতে ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত পৌর ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্বপালনকালীন সময়ে ২০০৩ সালের ১৭ই মার্চ বর্তমান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে স্বাধীনতার ডাকের লিফলেট বিতরণ করলে তৎকালীন বি.এন.পির দ্বারা লাঞ্চিত হোন। পরবর্তীতে ২৬মার্চ তার বাড়ীতে হামলা করা হয় এবং শর্ত দেয়া হয় যে পর্যন্ত তিনি সরিষাবাড়ী ত্যাগ না করবেন ততক্ষন পর্যন্ত তার উপর নির্যাতন চালিয়ে যাওয়া হবে।দল হিসেবে আওয়ামী লীগ করার কারনে আরও বিভিন্ন সময় তিনি নির্যাতনের শিকার হন। তুপের মুখে জীবন বাঁচাতে তিনি নিজ বাড়ী হতে কয়েকদিন গাঁ ঢাকা দিয়ে থাকেন। পরে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি উপজেলা যুবলীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমানেও তিনি উপজেলা যুবলীগের সদস্য হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। নিজ দলের প্রতি দায়িত্বশীলতা, ত্যাগ, ধৈর্য ও নিষ্ঠার জন্য বর্তমানে তিনি তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে সক্রিয়ভাবে প্রতিটি কাজ করে যাচ্ছেন। গুরুত্বপূর্ণ কথা হল একজন প্রতিমন্ত্রীর প্রতিনিধি বলতে আমরা কি বুঝি ? নিশ্চয় প্রতিমন্ত্রীর একেবারে কাছের লোক। আমরা মনে করে থাকি তাকে ধরতে পারলে, হাত করতে পারলেই হয়ত কাজটা হয়ে যাবে। আর এ জন্য আমরা মনে করে থাকি তাকে টাকা দিয়ে হাত করে নিজের কাজ হাসিল করে নেয়া। কিন্তু শাখাওয়াত আলম মুকুল সম্পর্কে সরেজমিনে তথ্য নিতে গিয়ে কারও নিকট হতে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রতিনিধির পরিচয়ে অবৈধ টাকা গ্রহণ করার কোনো প্রমাণ মিলেনি। মিথ্যে আশ্বাষ দিয়ে কারও নিকট হতে লাখ লাখ টাকা নিয়ে পিছু পিছু ঘুরানোর কোনো নজির পাওয়া যায়নি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে কি করার কথা ছিল ? প্রতিমন্ত্রীর দেয়া বিভিন্ন অনুদান পেছনের পথ দিয়ে নিজের করে নেওয়া। আর এভাবে অল্প দিনের মধ্যে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়া। কিন্তু না, এমন কাজের কোনো তথ্য মিলেনি। যতটুকু খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সাধারণ জীবন যাপনই করে যাচ্ছেন তিনি।
সরকার হতে প্রতিমন্ত্রী হয়ে আসা বিভিন্ন অনুদান প্রতিমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে ঠিকঠাক জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়া বা বিতরণ করতে দেখা গেছে তাকে। সরকারের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুন্ন না হয় সে জন্য অজপাড়া গাঁ থেকে শুরু করে প্রশাসন পর্যন্ত ছুটাছুটি করতে দেখা গেছে তাকে। একজন এমপি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মাত্র অল্প কয়েকদিনের মধ্যে জনগণের অনেকটাই আশা ভরশার আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিণত হয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা: মুরাদ হাসান, এমপি। এ কাজে একজন কর্মী হিসেবে প্রতিনিধি মুকুল যথেষ্ঠ চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে দেখা গেছে। আর তাই অনেক চা এর দোকানের আবাল বৃদ্ধ বণিতা থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবি মহল পর্যন্ত আলোচনা করতে দেখা গেছে প্রতিনিধি মুকুল তার কাজে সফলতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে।
রাজনীতির বয়স বিবেচনা করে দু-একজনের মধ্যে মতের ভিন্নতা দেখা দিলেও সাধারণ জনগণের প্রত্যশা শাখাওয়াত আলম মুকুল অতীত বর্তমানের মত ভবিষ্যতেও সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার মুরাদ হাসান, এমপি’র নির্দেশে বিশেষ ভূমিকা পালন করে যাবেন।

