জমজমাট মন্ত্রীদের প্রথম কর্মদিবস

Date:

বিশেষ প্রতিনিধ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে গঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম কর্মদিবস ছিল গতকাল রোববার। নতুন মন্ত্রীরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, সেই সঙ্গে পূর্বের মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি পুরাতন মন্ত্রণালয় থেকে ফুল দিয়ে বিদায় এবং নতুন মন্ত্রণালয়ে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয় মন্ত্রীদের। যদিও মন্ত্রিসভা থেকে বাদ যাওয়া ব্যক্তিদের দেখা মেলেনি সচিবালয়ে, তবে নতুন মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করা অনেকেই বলেছেন, তারা তাদের পূর্বসূরিদের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ করেই নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন।

সকাল থেকেই সচিবালয় ঘিরে ছিল ভিড়। অসংখ্য গাড়ি সচিবালয়ে প্রবেশ করে মন্ত্রীদের প্রথম কর্মদিবসে শুধু শুভেচ্ছা জানাতে। এর পাশাপাশি মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানগুলোও শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় করে সচিবালয়ে। একই সঙ্গে প্রথম কর্মদিবসে নতুন মন্ত্রীদের অভিব্যক্তি জানতে সচিবালয়ে ভিড় করেন গণমাধ্যম কর্মীরাও। তাদের সামনে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা ও প্রত্যয় তুলে ধরেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে দিন সন্ধ্যায় শপথও নিয়েছেন নতুন সদস্যরা। এরপর তাদের দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এদিকে নবগঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

দেশি-বিদেশি সব চাপ মোকাবিলায় নতুন সরকার সক্ষম বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সচিবালয়ে নিজের নিয়মিত দপ্তরে যোগদান করেই ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নতুন মন্ত্রিসভায় বিদেশ থেকে চাপ আছে। আর দেশে তো আছেই। তবে আমরা সব চাপ মোকাবিলা করতে সক্ষম। কারণ জনগণ সঙ্গে থাকলে কোনো চাপই মোকাবিলা করা অসম্ভব নয়।

সামনের দিনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিনি বলেন, মানুষের জীবনে রাজনীতি বলুন, অর্থনীতি বলুন- সব ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে কোনো চ্যালেঞ্জই মোকাবিলা করা অসম্ভব নয়। অনেকেই ভেবেছে নির্বাচন করতে পারব না। কিন্তু তাদের স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেছে। আমরা যখন পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করেছিলাম তখন কেউ ভাবেনি এটা শেষ করা সম্ভব হবে। বিশ্বব্যাংকও পাশে ছিল না। কিন্তু আমরা পদ্মা সেতু করতে পেরেছি। মেট্রোরেল দিয়ে যে এই শহর সমৃদ্ধ হবে- এ কথাও কেউ ভাবেনি। কিন্তু সেটাও শেখ হাসিনার সরকার উপহার দিয়েছে। সামনে আমাদের আরও অনেক কাজ আছে।

সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রথমে তার পূর্ববর্তী মন্ত্রণালয়, অর্থাৎ তথ্য মন্ত্রণালয়ে যান। সেখানে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সেখান থেকে বিদায় নিয়ে যোগ দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। এ সময় সেখানে থাকা কর্মচারী-কর্মকর্তারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এই কার্যক্রম শেষে মন্ত্রণালয় নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন এই মন্ত্রী। তথ্য মন্ত্রণালয়ে থাকার সুবাদে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনিই। এবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো চ্যালেঞ্জিং একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। তার এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তাও পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কর্মপরিকল্পনার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের নাম সমুন্নত রেখে পূর্ব-পশ্চিম সবার সঙ্গে সম্পর্ক আরও ভালো করার ক্ষেত্রে কাজ করে যাবেন তিনি।

এদিকে প্রথম অফিসে যোগ দিয়েই ৭ দিনের মধ্যে ১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনা দেওয়ার ঘোষণা দিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি বলেন, আমরা চাই এটা যাতে এক নম্বর মন্ত্রণালয় হয়। আমার পক্ষ থেকে শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেব। মিডিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করব। সাত দিনের মধ্যে একশ দিনের পরিকল্পনা দিতে চাই। এ ছাড়াও অন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করব।

এরপর তিনি বলেন, বায়ুদূষণ প্রতিরোধ করতে হবে। বন সংরক্ষণ করতে হবে। টেকসই উন্নয়নের জন্যই পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। এখানে দুর্নীতি বা অনিয়ম প্রশ্রয় দেব না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সেই অগ্রগতিকে টেকসই করতে হবে। সব মিলিয়ে আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার পূরণ করব। নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। কাজের জন্য কোনো কাঠামো বদলের দরকার হলে সেটা করতে হবে। আমাদের কাজের সঙ্গে যা দরকার সেটা করব।

সাবেক মন্ত্রীর সহায়তা নিয়ে আরও নতুন কিছু শেখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নতুন কৃষিমন্ত্রী মো. আবদুস শহীদ। তিনি বলেন, ‘ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, এর আগে যিনি কৃষিমন্ত্রী ছিলেন, তিনি আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু মানুষ। আমি আশা করব সব কর্মকর্তা আমাকে সাহায্য করবেন।’

এরপর তিনি বলেন, ‘আমি পেশায়-নেশায় সবকিছুর মধ্যে কৃষক। লেখাপড়া করেছি, অধ্যাপনা করেছি, পিএইচডি ডিগ্রিও আমি নিয়েছি। সবকিছুতেই মোটামুটি টাচ দিয়ে এসেছি। চিফ হুইপ ছিলাম, সব মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অ্যাকটিভিটি ছিল আমার। তারপরও বলব আমি এখনো শিখতেছি। শেখার শেষ নেই। আমি শিখেই কাজ করতে চাই। আমাদের কৃষকদের উন্নতির জন্য যা প্রয়োজন, আমাদের ক্ষমতার মধ্যে যা আছে করব। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, উদ্যোক্তারা সবাই মিলে যদি কাজ করি, এ শক্তি কিন্তু বড় শক্তি, এর রেজাল্টও কিন্তু আমরা পাব।’- যোগ করেন মো. আবদুস শহীদ।

এদিকে শিক্ষা কারিকুলাম নিয়ে সমালোচনা আছে উল্লেখ করে প্রয়োজনে কারিকুলামের মূল্যায়নে অবশ্যই পরিবর্তন আনা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিসভার কনিষ্ঠতম সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেন, শিক্ষাবর্ষ মাত্র শুরু হয়েছে। ধারাবাহিক মূল্যায়নের কাজগুলোও শুরু হয়েছে। কাজ করতে গিয়ে কোনো সমস্যা মনে হলে অবশ্যই পরিবর্তন আসবে। নতুন কারিকুলাম হঠাৎ করে আসেনি। এটা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা থাকাটাই স্বাভাবিক। এগুলো মাথায় রেখেই দুর্বলতা ও সমস্যা থাকলে সমাধান করা হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে নওফেল বলেন, শিক্ষায় একটা ধারাবাহিকতা থাকে। সেই ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়ে রূপান্তর ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হবে। স্মার্ট সিটিজেন তৈরি করার জন্য স্মার্ট এডুকেশন সিস্টেম আমাদের প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করব। স্মার্ট সিটিজেন তৈরি করার জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা প্রয়োজন। কর্মসংস্থানের জন্য মাল্টি স্ক্রিল স্মার্ট সিটিজেন আমাদের প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণা জোরদার করা প্রয়োজন।

এ সময় সাবেক সাবেক শিক্ষামন্ত্রী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ডা. দীপু মনির সঙ্গে কাজ করেছি। চ্যালেঞ্জ দেখেছি। তিনি সফল মন্ত্রী। শিক্ষা রূপান্তরের কাজ করছি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

নতুন শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি শুভকামনা জানিয়ে নিজের নতুন দপ্তরের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন ডা. দীপু মনিও। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে যোগদানের প্রথম দিনই প্রধানমন্ত্রীর আস্থা পূরণে সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নতুন সমাজকল্যাণমন্ত্রী।

বিমান সেবা উন্নত করার জন্য কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নতুন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান। নিজের পূর্ব অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমি আগেও এই মন্ত্রণালয়ে ছিলাম। সুতরাং এখানকার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আমি জানি। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে যে কাজগুলো চলছে, সেগুলো যাতে দ্রুত শেষ হয়, সে দিকটা দেখব। যাত্রীসেবা, লাগেজ হ্যান্ডেলিং কীভাবে আরও উন্নতি করা যায় এবং কীভাবে আরও নতুন নতুন ডেস্টিনেশনে বিমান যেতে পারে, সেগুলো দেখার চেষ্টা করব।

আওয়ামী লীগের কর্মপরিকল্পনায় সব মন্ত্রণালয়ের প্রতি স্পষ্ট দিক নির্দেশনা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মপরিকল্পনায় কোন মন্ত্রণালয় কী করবে সেটি বলা আছে, সেই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব। এর বাইরে বিভিন্ন সময় যে বিষয়গুলো আলোচনায় আসবে সেগুলো করব।

বর্তমান মন্ত্রিসভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। মন্ত্রী না থাকায় তিনিই যে মন্ত্রণালয়টি পরিচালনা করতে যাচ্ছেন, তা বেশ স্পষ্ট। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বলেন, এবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন গুজব মোকাবিলা। বিভিন্ন মাধ্যমে যারা অপপ্রচার চালায়, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করার বিষয়েও দৃঢ় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পূর্ণ মন্ত্রীদের মধ্যে আ ক ম মোজাম্মেল হককে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়; ওবায়দুল কাদেরকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; আবুল হাসান মাহমুদ আলীকে অর্থ মন্ত্রণালয়; আনিসুল হককে আইন মন্ত্রণালয়; নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনকে শিল্প মন্ত্রণালয়; আসাদুজ্জামান খানকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; মো. তাজুল ইসলামকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়; মুহাম্মদ ফারুক খানকে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়; মোহাম্মদ হাছান মাহমুদকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; দীপু মনিকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; সাধন চন্দ্র মজুমদারকে খাদ্য মন্ত্রণালয়; আবদুস সালামকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; মো. ফরিদুল হক খানকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে ভূমি মন্ত্রণালয়; জাহাঙ্গীর কবির নানককে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; মো. আবদুর রহমানকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; মো. আবদুস শহীদকে কৃষি মন্ত্রণালয়; ইয়াফেস ওসমানকে (টেকনোক্র্যাট) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; সামন্ত লাল সেনকে (টেকনোক্র্যাট) স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; মো. জিল্লুল হাকিমকে রেলপথ মন্ত্রণালয়; ফরহাদ হোসেনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; নাজমুল হাসানকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়; সাবের হোসেন চৌধুরীকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মহিবুল হাসান চৌধুরীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ১১ প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে নসরুল হামিদকে বিদ্যুৎ বিভাগ; খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়; জুনাইদ আহমেদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; জাহিদ ফারুককে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়; সিমিন হোসেন রিমিকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়; কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম-বিষয়ক মন্ত্রণালয়; মহিববুর রহমানকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়; মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; শফিকুর রহমান চৌধুরীকে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; রুমানা আলীকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং আহসানুল ইসলামকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Share post:

Subscribe

spot_imgspot_img

Popular

More like this
Related

গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শহীদকে জড়িয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

একাত্তর বাংলা রিপোর্টঃ ময়মনসিংহের গৌরীপুরে সম্প্রতি জমি সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের...

ময়মনসিংহে উদ্দীপন কুমির খামার পরিদর্শন করেছেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

একাত্তর বাংলা রিপোর্টঃ ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হাতিবেড় গ্রামে অবস্থিত...

ময়মনসিংহে জেলা গোয়েন্দা শাখার দুটি অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ মাদক ব্যবসায়ী

একাত্তর বাংলা রিপোর্টঃ ময়মনসিংহে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পৃথক...

বকশীগঞ্জ হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

মাসুদ উল হাসান ॥ জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স ১০১ শয্যায়...
LATEST NEWS
গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শহীদকে জড়িয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ময়মনসিংহে উদ্দীপন কুমির খামার পরিদর্শন করেছেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ময়মনসিংহে জেলা গোয়েন্দা শাখার দুটি অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ মাদক ব্যবসায়ী বকশীগঞ্জ হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সব ধরনের সমস্যা মোকাবেলা করেই তড়িগতিতে স্টিল আর্চ সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে-এমপি ওয়াহাব আর্ন্তজাতিক মানের বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও বিকেএসপি নির্মাণ হলে খেলাধূলার নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে-এমপি ওয়াহাব গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল-তথ্য প্রতিমন্ত্রী চৌকস ওসি নাজমুস সাকিব এর নেতৃত্বে শাওন হত্যার আসামীরা গ্রেফতার ময়মনসিংহে হতদরিদ্রদের মাঝে নবনির্বাচিত এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দের ইফতার বিতরণ বিএনপি হচ্ছে সে রকম একটি দল-যাদের পরিকল্পনা রয়েছেঃ তারেক রহমান