সুমন ভৌমিকঃ ময়মনসিংহ কোতুয়ালী মডেল থানার নব নিযুক্ত তদন্ত ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ। এর আগেও তিনি কাতুয়ালী মডেল থানায় তদন্ত ওসি পদে দায়িত্বে ছিলেন কিন্তু মহল বিশেষ এর কুটচালে ওসি অপারেশন এর দায়িত্বে ফিরে আসেন। ময়মনসিংহের বর্তমান সুযোগ্য পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বিপিএম (বার) আদর্শিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত খন্দকার শাকের আহমেদকে সঠিক জায়গায় মূল্যায়ন করেছেন।
পুলিশ ইন্সপেক্টর শাকের নিজ কাজে সর্বদা নিমগ্ন থাকেন। হাসি–খুশি, সহজ–সরল ও কর্তব্য নিষ্ঠা প্রকৃতির মানুষ। উদ্ধতন কতৃপক্ষ যখন তার উপর যে দায়িত্ব প্রদান করেন, তা পালনে সাফল্য অর্জনই তার কাজ। কোতুয়ালী মডেল থানায় কর্মরত অবস্থায় মাদক বিরোধী অভিযানসহ, সামাজিক শান্তি শৃংখলা রক্ষা, বিভিন্ন মামলায় তদন্ত পরিচালনায় দায়িত্ব পালনে সাফল্য অর্জন করেছেন। সাধারণ মানুষের কাছে দায়িত্বশীল ও জনপ্রিয় পুলিশ অফিসার হিসাবে সমাদৃত। ময়মনসিংহ পুলিশ বাহিনীতে রয়েছে কিছু অফিসার যারা নিজেদের জীবন সাধারণ মানুষের সেবায় উৎসর্গ করে যাচ্ছেন। তারা রীতিমত জনসেবায় বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। পুলিশ জনগণের বন্ধু ও আইনের সহযোগিতা সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌছিয়ে দিতে যাদের অসামান্য অবদান রয়েছে তাদের মধ্যে পুলিশ ইন্সপেক্টর খন্দকার শাকের আহমেদ অন্যতম।
পুলিশ ইন্সপেক্টর শাকের দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠাবান ও নীতিবান পুলিশ অফিসার হিসেবে মানুষের কাছে তার সুনাম রয়েছে। পুলিশী দায়িত্ব পালনে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে অসংখ্যবার উদ্ধতন কতৃপক্ষের কাছ থেকে পুরস্কার লাভ করেন। জনগণও তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি জনগণের কাছে একজন জনবান্ধব পুলিশ অফিসার।
ছাত্রজীবনেই তিনি ছিলেন দেশসেরা ক্রীড়াবিধ। ফুটবলার হিসেবে তিনি শেখ জামাল ক্লাব, ধানমন্ডি ক্লাব, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, ওয়ারী ক্লাব, ইয়ংমেন ফকিরাপুল ক্লাব ও পিডাব্লিওডি ক্লাব এর হয়ে খেলেন। ২০১৭–১৮–১৯ পরপর তিনবার ১০০ মিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ হয়ে আইজিপি’র নিকট থেকে পুরস্কার গ্রহন করেন। ময়মনসিংহে চলমান প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগের পুলিশ টিমের নেতৃত্বে অগ্রগ্রামী ভূমিকা পালন করছেন।
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স সহ মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জনের পর ২০০৬ সালে তিনি পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। শিক্ষাজীবন ও ক্রীড়াজীবন থেকেই তিনি আদর্শিক।
সামাজিক বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে যে সব মামলার দায়িত্ব তার উপরে বর্তে সেখানে তিনি বিচক্ষনতা ও সততার নজির রেখেছেন। বিরোধ নিষ্পত্তিতে থানায় দেন–দরবারের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে পুলিশ ইন্সপেক্টর শাকের এর ভূমিকার গ্রহনযোগ্যতা ও প্রশসংসা পাচ্ছে।
পুলিশ ইন্সপেক্টর শাকের পুলিশ বিভাগে বহুবার মূল্যায়নী পরীক্ষার উত্তীর্ন হয়েছেন। আইজিপি পদক ছাড়াও ময়মনসিংহ রেঞ্জে ও জেলায় বহুবার শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হিসাবে পুরস্কার পান। মানুষের কাছে উৎকোচবাজী, সামারি বাণিজ্য, অনিয়ম ও দূর্নীতির বিপরীতে তার অবস্থান।
পুলিশ ইন্সপেক্টর শাকের কাজের সাফল্য অর্জনে তিনি ত্রমাগত সফল
শাকিল হত্যাকান্ডের ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রধান আসামি লিমনকে গ্রেফতার করেন এবং আকুয়ায় কাশেম হত্যাকান্ডের ৫ ঘন্টার মধ্যে প্রধান আসামী হাসেমকে গ্রেফতার করেন।
অপহরণ করে ঘরে আটকিয়ে রেখে মেয়ে দিয়ে অশালীন ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায়ের ঘটনায় কয়েক ঘন্টার মধ্যে রাজিব, মাসুদকে গ্রেফতার করে ভিকটিম উবায়দুলকে উদ্ধার করে।
মোটর সাইকেল চোর চক্রের বিশাল সিন্ডিকেট সদস্যদের গ্রেফতার করতে তিনি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ৫টি চোরাই মোটর সাইকেল সহ ৬ চোরকে গ্রেফতার করেন।
ময়মনসিংহ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ এর এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইমনকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ভিকটিম ইমনকে উদ্ধার করে প্রধান আসামী মামুনকে গ্রেফতার করেন।
হতদরিদ্র অসহায় রিক্সা চালকের ছিনতাইকৃত টাকা ও মোবাইল উদ্ধার করে পুলিশ জনগনের বন্ধু আবারও প্রমান করলেন ইন্সপেক্টর খন্দকার শাকের আহমেদ। ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য সোহান ও জাহিদকে গ্রেফতার করেন।
গেল ঈদে চুরি–ছিনতাই রোধে ময়মনসিংহ পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি ও নজরদারি ছিল। ইন্সপেক্টর শাকের এর নেতৃত্বে মোটর সাইকেল চোর, ছিনতাইকারী ও পকেটমারদের গ্রেফতার করে টাকা–পয়সা ও মালামাল উদ্ধার করে। ফলে জনগণ ময়মনসিংহ পুলিশের কাছ থেকে পেয়েছে নিরবিছিন্ন নিরাপত্তা।
.

