একাত্তর বাংলা রিপোর্টঃ ময়মনসিংহ গত ২৮ নভেম্বর পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারনে মাদকাসক্ত স্বামী ফুয়াদ শ্বাসরোদ্ধ করে ময়মুন মুনাকে হত্যা করে। হত্যার পরপরই ফুয়াদ তার ৪ বছরের মেয়ে ফাইজাকে শাশুরীর কাছে রেখে পালিয়ে যায়। পরে মৃত মুনার মা’র সন্দেহ হলে ফুয়াদের বাড়িতে গিয়ে দেখেন মেয়ে মুনার নিথর দেহ বিছানায় পরে আছে। এ সময় তার আত্মচিৎকারে ফুয়াদের বাড়ির লোকজন কেউ এগিয়ে আসেনি। প্রতিবেশির সহযোগীতায় মুনাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরের দিন ২৯ নভেম্বর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে গুলকিবাড়ি গোরস্তানে রাত ৯টায় দাফন সম্পন্ন হয়। ঐদিনই ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় নিহত মুনার মামা ফারুক হোসেন বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এদিকে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করতে জেলা পুলিশকে কঠোর নির্দেশ দেন ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান (পিপিএম- সেবা)। পুলিশ সুপারের নির্দেশ পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার (পিপিএম) ও ওসি তদন্ত ফারুক হোসেন মামলার তদন্তভার এসআই মাহাবুর রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন।
সূত্র জানায়, আসামী ফুয়াদ মোবাইল ফোন ব্যবহার না করায় তাকে গ্রেফতার করতে এসআই মাহবুব এর অনেকটা বেগ পেতে হয়। অবশেষে মাদকাসক্ত ফুয়াদ ২ ডিসেম্বর বুধবার বিকেলে কলেজ রোড একাডেমি এলাকায় এলে, এলাকার জনগণ ফুয়াদকে আটক করে পুলিশকে খবর দিলে এসআই মাহাবুব ও ২নং ফাঁড়ির এসআই লুৎফুর রহমান ফুয়াদকে গ্রেপ্তার করেন।

