চীফ রিপোর্টারঃ ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসা ছাত্রীটি যন্ত্রণায় ছটফট করছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের আইসিইউতে। অজানা আশঙ্কায় রয়েছেন বাবা।অসহ্য যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন শরীরে ৭০ শতাংশের বেশি পোড়া ক্ষত নিয়ে ।
বাবা মেয়েকে দেখতে গেলে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। অসহায় বাবা অজানা শঙ্কায় তাকে চোখ বন্ধ না করার অনুরোধ করেন । তিনি বলেন, ‘ঘুমাস নে মা চোখ খোলা রাখ।’
ঢামেক বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে মেয়ের কাছে যান অসহায় বাবা। আইসিইউ থেকে বেরিয়ে তিনি অনেক কথা বলেন।
মেয়েটির বাবা বলেন, আমার মেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে কি যেন বলতে চেয়েছে, পানি খেতে চেয়েছে। চোখ বন্ধ করলে আদরের মেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই আমি তাকে বলেছি ‘ঘুমাস নে মা। চোখ খোলা রাখ। জানি, তোর খুব কষ্ট হচ্ছে। তবু চোখ বন্ধ করিস না মা।’
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, তার যেন সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত হয়। দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, আমার মেয়েকে আপনারা বাঁচান। আল্লাহ যেন আমার মেয়েকে বাঁচিয়ে রাখেন।
সূত্রমতে, ফেনীর সোনাগাজীতে পরীক্ষাকেন্দ্রের ভেতর ওই ছাত্রীর (১৮) গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যাচেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। শনিবার সকালে সোনাগাজী পৌর এলাকার ইসলামিয়া সিনিয়ার ফাজিল মাদ্রাসাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রী ওই মাদ্রাসা থেকেই আলিম পরীক্ষা দিচ্ছিলেন।

