ভোরের কন্ঠঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে স্কুলের আঙ্গিনায় বইমেলা। ইংরেজি মাধ্যম একটি স্কুল এবং ‘কৈশোর তারুণ্যে বই’ এর যৌথ উদ্যোগে চলছে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন। এতে হাতের কাছে নানান স্বাদের বই পেয়ে যেমন উচ্ছসিত ক্ষুদে পাঠকরা। তেমনি অভিভাবকরা বলছেন, প্রযুক্তির প্রজন্মকে শেকড়ের সন্ধান দিতে বড় সহায়ক হবে এ আয়োজন। ২১শের সকাল থেকেই ইংরেজি মাধ্যম এ স্কুলটিতে মাতৃভাষার আবহ। তবে প্রতিবছরের এ আয়োজনে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে কৈশোর তারণ্যের বইমেলা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, এই স্টলগুলো খোলার পর আমাদের বাঙলা পড়ার প্রতি আরোও ইচ্ছা বেড়ে গিয়েছে। স্কুলের বই মেলায় আমরা সবার সঙ্গে দেখতে পাচ্ছি। বইও কিনতে পারছি। তারা যদি ভাষার জন্যে শহীদ না হতো তাহলে আমরা দিনগুলি দেখতে পারতাম না।
শোকের আবহে সন্তানের বিদ্যাপীঠে ভিড় করেন অভিভাবকরাও। বলেন, পরিসর স্বল্প হলেও এ আয়োজন আগামীর প্রজন্মের মাঝে উন্মেষ ঘটাবে জাতিসত্ত্বার। তারা বলেন, ‘আন্দোলন হয়েছিল আমাদের বাচ্চারা তো এগুলা তো দেখে নাই। এই বই মেলার মধ্য দিয়ে আমদের বাচ্চারা সেই ইতিহাস সমন্ধে জানতে পারছে।’
মেলায় অংশ নেয় বাংলা একাডেমী, শিশু একাডেমীসহ প্রায় ১২ টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। আয়োজকরা জানালেন, ভবিষতে বড় করা হবে এ আয়োজন। ভাইস-প্রিন্সিপাল ফারহা সোফিয়া আহমেদ বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ শিশু কিশোরদের সৃজনশীলতা বাড়িয়ে দেবে। ৩ দিনব্যাপী চলমান এই মেলায় রয়েছে ভাষা আন্দোলন স্মরণে গান এবং কবিতা উৎসব।

