পোড়ানোর বিরুদ্ধে অনেকগুলো আইন আছে। কিন্তু আমরা তা সঠিকভাবে কার্যকর করতে পারছি না। এটি দেখা দরকার।
এদিকে পরিবেশবিদরা বলছেন, দেশে বর্তমানে ৫৫ মাইক্রন পুরুত্বের পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধের আইন রয়েছে, তবে বাস্তবায়ন নেই। সেজন্য জরুরি ভিত্তিতে ‘পরিবেশ সুরক্ষা পুলিশ ফোর্স’ গঠন করে পলিথিনের উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহারে প্রণীত আইনের কঠোর বাস্তবায়ন দরকার। পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সরকারের অন্যান্য সংস্থাগুলো যদি উদ্যোগী না হয় তাহলে তো পরিবেশের যা যা বিপর্যয় হওয়ার তা হবেই। এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলে মাছের শরীরে প্লাস্টিক পাওয়া যাচ্ছে।এই মাছ সাধারণ মানুষ খাচ্ছে। মাছের মাধ্যমে এই প্লাস্টিক খাদ্যশৃঙ্খলে মানুষের মধ্যে চলে আসছে। ফলে মাছের যেমন ক্ষতি হচ্ছে, মাছের প্রজনন স্বাস্থ্যের ও ক্ষতি হচ্ছে। কারণ প্লাস্টিক যখন মাছের শরীরে প্রবেশ করে তখন স্বাভাবিকভাবে তার জীবনপ্রক্রিয়ায় এক ধরনের পরিবর্তন আসে। এর ফলে মাছের প্রজনন প্রক্রিয়া, মাছের বংশবৃদ্ধি, মাছের গ্রোথ সবকিছুই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শুধু মাছ না, অন্যান্য যে জলজ প্রাণী আছে সবার ক্ষেত্রে একই বিপর্যয় হচ্ছে। ফলে এই কোস্টাল এর সকল প্রাণ প্রকৃতির মধ্যেই কিন্তু একটা বিরূপ প্রতিক্রিয়া দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
দেশের ৯৮ শতাংশ মানুষ প্রতিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য ভয়ংকর ক্ষতিকর প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহার করে, যা খুবই উদ্বেগজনক। এসব পণ্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের পাশাপাশি প্রাণিবৈচিত্র হুমকির মুখে পড়বে।

