সুমন ভৌমিকঃ ১লা মার্চ ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে’। জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকালে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের স্মরণে দেশব্যাপী সকল পুলিশ ইউনিটে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে’। ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১’ উপলক্ষে কর্তব্য পালনকালে নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি-সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে ‘চেতনা অম্লান’ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন ডিআইজি, ময়মনসিংহ রেঞ্জ, জেলা পুলিশ, ময়মনসিংহ, নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবার বর্গ, কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি, ময়মনসিংহ, সিআইডি, ময়মনসিংহ, র্যাব-১৪, এপিবিএম, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ, কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, ময়মনসিংহ, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন (পিবিআই), ময়মনসিংহ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৫, ময়মনসিংহ, পুলিশ সুপার, ট্যুরিস্ট পুলিশ, ময়মনসিংহ রিজিয়ন, নান্দাইল হাইওয়ে থানা, হাইওয়ে পুলিশ, গাজীপুর রিজিয়ন, গাজীপুর ।
এই দিনে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে সেই সকল শহীদ পুলিশ সদস্যদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণসহ ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে আলোচনা সভা, কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত পুলিশ সদস্য পরিবারবর্গকে ক্রেস্ট ও উপহার সমগ্রী প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল থেকে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে’ প্রতি বছর ১লা মার্চ পালন করা হয়। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান পুলিশের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। বাংলাদেশ পুলিশের অকুতোভয় সদস্যরা নিষ্ঠার সাথে এ গুরু দায়িত্ব পালন করে থাকেন। কর্তব্য পালনকালে প্রতি বছর অনেক পুলিশ সদস্য নিহত হন। তাদের আত্মত্যাগের মহান দৃষ্টান্ত পুলিশ বাহিনীর জন্য গৌরব ও সম্মানের।
ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে কর্তব্য পালনকালে নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে জেলা পুলিশের আয়োজনে ‘পুলিশ মেমরিয়াল-ডে ২০২১’ উপলক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি-সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা রেঞ্জ ডিআইজি ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান। অনুষ্ঠানের শুরুতে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনায় তাদের সম্মানে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১’ উপলক্ষে প্রধান অতিথি ইকরামুল হক টিটু বলেন, এই মাস মার্চ মাস আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মের মাস। যার জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতো না। আজকে আমরা যারা মঞ্চে কথা বলছি সেই সুযোগ থেকে আমরা বঞ্চিত হতাম। এই মাসেই দেয়া ৭ই মার্চের ভাষণ যা পুরো বাঙালী জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছে স্বাধীনতা যুদ্ধে। বাঙালী জাতি সর্বশক্তি প্রয়োগ করে দীর্ঘ ৯ মাস পর স্বাধীনতা অর্জন করেছে। এই মাসে আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি বাঙালীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। আরও স্মরণ করি ১৯৭১ সালে যারা এই দেশমাতৃকার জন্য রক্ত দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাই। ১৯৭৫ সালে জাতির জনকসহ যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানাই। আজকে যাদের জন্য এ আয়োজন আমাদের পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ যারা কর্তব্য পালনের সময় শহীদ হয়েছেন তাদেরকেও গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি।
মেয়র টিটু বলেন, বাঙালী জাতি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ কালো রাতে আমাদের সাধারণ নিরীহ বাঙালীর উপরে পাকিস্তানি দোসররা ঝাপিয়ে পড়েছিল এবং সর্বপ্রথম তারা আমাদের পুলিশ বাহিনীর উপর আঘাত হানে। এই পুলিশ বাহিনী কর্মকর্তারা ও সদস্যরা সর্বপ্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ১৯৭৫ সালে বাঙালী জাতির ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। সেই ৭৫ এ যারা হত্যাকারী তাদেরকে প্রতিরোধের জন্য পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের নাম সর্বপ্রথমে উচ্চারিত হয়। যারা জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে, দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড বাঁধাগ্রস্থ করেছে, দেশের নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটিয়েছে তাদেরকে প্রতিরোধেও দেখেছি পুলিশের সাহসী ভূমিকা। পুলিশ দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। দেশে করোনার সময় লকডাউনে পুলিশের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। সেই করোনার সময়ে পুলিশের সহনশীল আচরণ ও মানবিক ভূমিকা দেশ ও জাতি চিরকাল মনে রাখবে।
‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১’ অনুষ্ঠানের সভাপতি ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ বলেন, আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি ইতিহাসের মহানায়ক, স্বাধীনতার স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি ৩০লাখ শহীদ ও ২লাখ মা-বোনদের যাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি রাজারবাগ পুলিশ লাইনে প্রতিরোধ গড়তে গিয়ে ১২শ’র অধিক শহীদ হওয়া পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি ৭৫ এর ১৫ আগস্ট শাহাদাত বরণকারী বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারে সদস্য ও সকল শহীদদের।
ডিআইজি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের গৌরব উজ্জল ইতিহাস রয়েছে। আজ আমরা কর্তব্যরত মৃত্যুবরণকারী পুলিশ সদস্যদের প্রতি সম্মান জানাতে একত্রিত হয়েছি। আজকে এখানে আগত মৃত্যুবরণকারী পুলিশ পরিবারের যারা এসেছেন তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানাই এবং তাদের পরিবারের যারা হারিয়েছে তা পূরণ করার মত নয়। এসকল পরিবার যে ত্যাগ ও বিসর্জন দিয়েছে তা অতুলনীয় এবং অনস্বীকার্য।
এসময় ডিআইজি বলেন, আপনারা জানেন গত ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভূতপূর্ব উন্নয়নের ফসল। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমাদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে কেউ যেন শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে না পারে। আমাদের দৃঢ় প্রত্যয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা এবং স্থিতিশীলতা যেন প্রভাবিত করতে না পারে সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যে কেউই হোক না কেন আমরা অপশক্তি, অপচেষ্টা শক্ত হাতে দমন করবো।
‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১’ উপলক্ষে স্বাগত বক্তব্যে ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মোহা আহমার উজ্জামান বলেন, দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, কারও দানে পাওয়া নয়। অনেক রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা হয়েছে, কারও দয়ায় না।
পুলিশ সুপার বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সুযোগ্য প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শী নেতৃত্ব, সেই সঙ্গে অনেক মানুষের ত্যাগ, অনেক সন্তান হারা মায়ের কান্না, অনেক হাসি, অনেক স্বপ্ন, অনেক স্বামীহারা গৃহবধুর বেদনা, ভাইহারা বোনদের হাহাকার। সেই হাহাকারের বিনিময়ে নির্মিত হয় একটি পদ্মা সেতু। অনেক ত্যাগ, অনেক সংগ্রামের পর নীল আকাশে উড়ে পতাকা। শুরু থেকে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে উন্নয়নের যে সংগ্রাম, সে সংগ্রামে সম্মুখে থেকে অংশগ্রহণ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর গর্বিত সদস্যরা। স্বাধীনতার মাত্র ৩ বছরের মাথায় ১৫ আগস্টের কালো রাতে বঙ্গবন্ধুকে যেদিন হত্যা করা হলো সেদিন কোন প্রশিক্ষিত বাহিনীকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেখিনি। একজন সিদ্দিকুর রহমান পুলিশের সামান্য এএসআই তার সাবকিছু বাদ দিয়ে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল আক্রমণকারীদের সামনে। সিদ্দিকুর রহমানকে হত্যা করার পরে হত্যাকারীরা বঙ্গবন্ধু পর্যন্ত যায়। তার আগে যাওয়া যায় নাই।
পুলিশ সুপার আরো বলেন, সিদ্দিকের রক্তে গড়া বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য আমরা। আমি কিছুতেই ভুলে যেতে পারিনা আমার সহকর্মী জাহাঙ্গীরের লাশ, আমি ভুলতে পারিনা জাহাঙ্গীর আমার সাথে রাজশাহী মেট্রোপলিটনে কাজ করেছে, তার নিথর দেহ পিচঢালা রাস্তায় পড়ে আছে। পত্রিকায় দেখলাম শিবিরের গুন্ডারা সাপের মত পিটিয়ে জাহাঙ্গীরকে হত্যা করেছে। জাহাঙ্গীরের মুখচ্ছবি আমি কোনদিন ভুলি নাই। জাহাঙ্গীরের রক্তের বিনিময়ে আজকে এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে পুলিশ সুপার হিসেবে আমি কথা বলছি। জাহাঙ্গীরের রক্ত কখনও বৃথা যেতে পারে না। জাহাঙ্গীরের রক্তের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। শুধু জাহাঙ্গীর না, ২০১৩-১৪ সালে আমরা যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছিলাম। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে জাতি যখন কলঙ্কমুক্ত হচ্ছিল তখন ২৭ জন পুলিশ সদস্যদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল। তার মাধ্যমে জাতি কালিমা মুক্ত হয়েছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে, রাজাকারদের সাজা দিতে পেরেছে।
পুলিশ সুপার এসময় বলেন, আজ যে উন্নয়নের বাংলাদেশ সে বাংলাদেশ নির্মাণ করতে গিয়ে সকল সময় সকল আন্দোলনে বাংলাদেশ পুলিশ বাংলাদেশের জনগণের পাশে থেকেছে। স্থিতিশীলতার পক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের শক্ত অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ আজ বিস্ময়, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। আজকে এখানে যারা নিহত পুলিশ পরিবারের সদস্যরা আছেন আপনাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আপনাদের চলে যাওয়া মানুষটির প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা রক্ত দিয়েছে বলে আজকে এই পোশাকটা পড়ে আমি সম্মানবোধ করি, আমি গর্ববোধ করি। বিশিষ্ট জনের সামনে দাঁড়িয়ে আমি কথা বলতে পারি। শুধুমাত্র এই গৌরব, এই অহংকার আপনার সেই আদরের সন্তানটির জন্য, আপনার স্বামীটির জন্য, আপনার ভাইটির জন্য। তাদের প্রতি আমরা চির কৃতজ্ঞ। আমরা এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে সকল কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত পুলিশ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
পুলিশ সুপার এসময় আরো বলেন, আমি ঘোষনা দিতে চাই বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেক সদস্য জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও যে আদর্শের জন্য এতো পুলিশ সদস্য আত্মহুতি দিয়েছে স্বাধীনতার শুরু থেকে এই পর্যন্ত, তাদের রক্তের সাথে বাংলাদেশ পুলিশের কোন সদস্য বেঈমানী করবে না। কোভিডের সময় আমরা দেখেছি, প্রতিদিন খবর শুনেছি আমার সহকর্মীর লাশ। টিভিতে দেখেছি সহকর্মীর লাশ, আমর একজন সহকর্মীও বলেনি আমি ডিউটিতে যাব না। সবাই আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছি, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছি। আমার জেলা পুলিশের ১০৩ জন কোভিড আক্রান্ত হয়েছে। মানুষ যখন তার সন্তানটিকে ফেলে দিয়েছে, মানুষ যখন তার বৃদ্ধ বাবাটিকে ফেলে গিয়েছে কোভিডে আক্রান্ত বলে। আমার পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে, দাফনের ব্যবস্থা করেছে মৃতদের ক্ষেত্রে। এই অহংকার বাংলাদেশ পুলিশের, এই অহংকার আমার, এই অহংকার তোমাদের, যারা আমার সহকর্মী আছ সবার। এই অহংকার বুকে নিয়ে আগামী দিনে আমরা উন্নয়নের বাংলাদেশ, সত্যিকারের সোনার বাংলা, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার যে সংগ্রাম সে সংগ্রামে বাংলাদেশ পুলিশ সামনে থাকবে।
‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১’ উপলক্ষে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ কামরুল হাসান (এনডিসি), অতিরিক্ত ডিআইজি ড. আক্কাস উদ্দীন ভূঁঞা, জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান, র্যাব-১৪ অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল নাঈম আহমেদ, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার ড. মোঃ আল মামুনুল আনসারি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম ও ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আনোয়ার হোসেন, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সহ-সভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডঃ বিকাশ চন্দ্র রায়, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, কর্তব্য পালনকালে নিহত পুলিশ সদস্য পরিবারের কামরুন্নাহার ও খালেদা বেগম। তাদের বক্তব্যে অনুষ্ঠানে এক করুণ দৃশ্যের অবতারণা হয়। আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন উপস্থিত অনেকেই।

