একাত্তর বাংলা রিপোর্ট : –
মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে শনিবার সকালে আশুলিয়ার বাইপাইল, জামগড়া, ছয়তলা, বেরণ ও নরসিংহপুর এলাকার কারখানাগুলোর গেটের সামনে বন্ধের নোটিশ টানিয়ে দিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। সকালে কাজে যোগ দিতে গিয়ে গেটের সামনে শ্রমিকদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কারখানাগুলোর সামনে ও এলাকায় বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের বেরণ এলাকার এনভয় গ্রুপের মানটা এ্যাপারেলস লিমিটেড, স্টারলিংক অ্যাপারেলস লিমিটেড, শারমিন গ্রুপের এ.এম ডিজাইন, হলিউড গার্মেন্টস লিমিটেড, নরসিংহপুর এলাকার হামিম গ্রুপের দ্যাটস ইট স্পোর্টস ওয়্যার লিমিটেড, বড় রাঙ্গামাটিয়া এলাকার টেক্সটাউন টিমিটেড ও অরনেট নীট গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, জামগড়া এলাকার দি রোজ ড্রেসেস লিমিটেড, পাইয়োনওয়ার ক্যাজুয়াল ওয়্যার লিমিটেড, কাঠগড়া এলাকার এআর জিন্স ও আগামী অ্যাপারেলস লিমিটেডসহ অধিকাংশ কারখানার গেটের সামনে বন্ধের নোটিশ টানিয়ে দিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
নোটিশে বলা হয়েছে, ‘৯ নভেম্বর সকাল ১০টায় এবং বিগত কয়েকদিন ধরে বেলা ১১টা ও বিকেল ৩টার সময় মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বহিরাগত পোশাক শ্রমিকদের বেআইনিভাবে কারখানার ভেতর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে কারখানা ভাঙচুর ও কারখানার কাজ বন্ধ রাখাসহ কর্মস্থলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করায় কারখানার উৎপাদন কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এমতাবস্থায় কারখানা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে ১০ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ১৩ (১) ধারা মোতাবেক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করল।’
এএম ডিজাইন কারখানার শ্রমিক আয়েশা আক্তার বলেন, বৃহস্পতিবার কারখানায় এসে কাজ যোগ দেয়ার পরপরই ছুটি দেয়া হয়। এরপর শ্রমিকরা সবাই বাসায় ফিরে যায়। শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধ গেছে। আজ সকালে কারখানার সামনে এসে অনির্দিষ্টকালের ছুটির নোটিশ দেখতে পাই। মালিকপক্ষ কী কারণে বন্ধ দিল আমাদের কিছুই জানানো হয় নাই। তিনি বলেন, মজুরি বাড়ানোর আন্দোলন করতে গিয়ে আমাদের শ্রমিকরা গুলি খেয়ে মারা গেল।
তার কোনো বিচার নাই। এখন আবার কারখানা বন্ধ করে দেয়া হলো। তাহলে আমরা শ্রমিকরা কোথায় যাব? হলিউড গার্মেন্টসের আঁখি আক্তার নামে এক নারী শ্রমিক বলেন, কারখানা কবে খুলবে মালিকপক্ষ সেটা জানায়নি। এখন তারা যেকোনো একটা সিদ্ধান্ত নিক। ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা যাই বেতন বাড়িয়ে কারখানা খুলে দিলে আমরা কাজে যোগ দেব। আমরা তো কাজ করতে চাই। কারণ হেলপারের বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে কিন্তু অপারেটরদের তো কোনো ডিসিশন দিচ্ছে না। এজন্য আমরা কাজ করিনি।
এসব বিষয়ে আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোয়ার আলম বলেন, আমাদের কাছে আসা সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে এক শো প্লাস কারখানা আজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সংখ্যা হয়তো আরও বাড়তে পারে।
জেরে আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে শনিবার সকালে আশুলিয়ার বাইপাইল, জামগড়া, ছয়তলা, বেরণ ও নরসিংহপুর এলাকার কারখানাগুলোর গেটের সামনে বন্ধের নোটিশ টানিয়ে দিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। সকালে কাজে যোগ দিতে গিয়ে গেটের সামনে শ্রমিকদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কারখানাগুলোর সামনে ও এলাকায় বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের বেরণ এলাকার এনভয় গ্রুপের মানটা এ্যাপারেলস লিমিটেড, স্টারলিংক অ্যাপারেলস লিমিটেড, শারমিন গ্রুপের এ.এম ডিজাইন, হলিউড গার্মেন্টস লিমিটেড, নরসিংহপুর এলাকার হামিম গ্রুপের দ্যাটস ইট স্পোর্টস ওয়্যার লিমিটেড, বড় রাঙ্গামাটিয়া এলাকার টেক্সটাউন টিমিটেড ও অরনেট নীট গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, জামগড়া এলাকার দি রোজ ড্রেসেস লিমিটেড, পাইয়োনওয়ার ক্যাজুয়াল ওয়্যার লিমিটেড, কাঠগড়া এলাকার এআর জিন্স ও আগামী অ্যাপারেলস লিমিটেডসহ অধিকাংশ কারখানার গেটের সামনে বন্ধের নোটিশ টানিয়ে দিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
নোটিশে বলা হয়েছে, ‘৯ নভেম্বর সকাল ১০টায় এবং বিগত কয়েকদিন ধরে বেলা ১১টা ও বিকেল ৩টার সময় মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বহিরাগত পোশাক শ্রমিকদের বেআইনিভাবে কারখানার ভেতর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে কারখানা ভাঙচুর ও কারখানার কাজ বন্ধ রাখাসহ কর্মস্থলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করায় কারখানার উৎপাদন কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এমতাবস্থায় কারখানা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে ১০ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ১৩ (১) ধারা মোতাবেক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করল।’
এএম ডিজাইন কারখানার শ্রমিক আয়েশা আক্তার বলেন, বৃহস্পতিবার কারখানায় এসে কাজ যোগ দেয়ার পরপরই ছুটি দেয়া হয়। এরপর শ্রমিকরা সবাই বাসায় ফিরে যায়। শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধ গেছে। আজ সকালে কারখানার সামনে এসে অনির্দিষ্টকালের ছুটির নোটিশ দেখতে পাই। মালিকপক্ষ কী কারণে বন্ধ দিল আমাদের কিছুই জানানো হয় নাই। তিনি বলেন, মজুরি বাড়ানোর আন্দোলন করতে গিয়ে আমাদের শ্রমিকরা গুলি খেয়ে মারা গেল
তার কোনো বিচার নাই। এখন আবার কারখানা বন্ধ করে দেয়া হলো। তাহলে আমরা শ্রমিকরা কোথায় যাব? হলিউড গার্মেন্টসের আঁখি আক্তার নামে এক নারী শ্রমিক বলেন, কারখানা কবে খুলবে মালিকপক্ষ সেটা জানায়নি। এখন তারা যেকোনো একটা সিদ্ধান্ত নিক। ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা যাই বেতন বাড়িয়ে কারখানা খুলে দিলে আমরা কাজে যোগ দেব। আমরা তো কাজ করতে চাই। কারণ হেলপারের বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে কিন্তু অপারেটরদের তো কোনো ডিসিশন দিচ্ছে না। এজন্য আমরা কাজ করিনি।
এসব বিষয়ে আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোয়ার আলম বলেন, আমাদের কাছে আসা সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে এক শো প্লাস কারখানা আজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সংখ্যা হয়তো আরও বাড়তে পারে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকাটিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহীনির উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে।

