কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: প্রতি বছর কিশোরগঞ্জ জেলায় ৬ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে ভূট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবহওয়া অনূকল থাকলে ২৪ হাজার ৪৮০ মেট্রিক টন ভূট্টা উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসার অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর যাবত আগাম বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বোরো আবাদ ব্যাহত হওয়ায় কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে বিকল্প ফসল হিসেবে হাওর অঞ্চলে ভূট্টা আবাদ জনপ্রিয় হয়েছে।
এ বছর জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে হোসেনপুরে ৯২ হেক্টর, কিশোরগঞ্জ সদরে ২৩০ হেক্টর, পাকুন্দিয়ায় ৪০ হেক্টর, কটিয়াদীতে ৬০ হেক্টর, করিমগঞ্জে ৬০ হেক্টর, তাড়াইলে ২০ হেক্টর, ইটনায় ১১২ হেক্টর, অষ্টগ্রামে ৩৭০ হেক্টর, কুলিয়ারচরে ৫০ হেক্টর, ভৈরবে ৩০ হেক্টর, মিঠামইনে ১৬৯৫ হেক্টর, নিকলীতে ২০৬৫ হেক্টর, বাজিতপুরে ১২৯৬ হেক্টর জমি ভূট্টা চাষের আওতায় এসেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, আগাম বন্যা হাত থেকে রক্ষার জন্য এ অঞ্চলে হাইব্রিড স্প্যাসিফিক জাতের ভূট্টা আবাদ করা হয়। এতে ৯০ দিনের মধ্যে ফলন হয় এবং হেক্টর প্রতি উৎপাদন ৪ মেট্রিক টন।
২০১৭-১৮ মৌসুমে ৪ হাজার ৬৮০ হেক্টর আবাদ করা হয়েছিল। বিগত বৎসরের তুলনায় ১ হাজার ৪৪০ হেক্টর বেশী আবাদ করা হচ্ছে।

