সুমন ভৌমিকঃ ময়মনসিংহে মাদক ও অপরাধ বিরোধী অভিযানে জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি ওসি শাহ মোঃ কামাল হোসেন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা রয়েছে শহরবাশীর মাঝে। মাদক ও অপরাধ বিরোধী অভিযানে শহরবাসীর মাঝে আতংক থাকা সময়ে তা সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসে পুলিশ।
ইতি পূর্বে মামলা তদন্ত ও সাহসী অভিযান পরিচালনায় ফের ২০১৯ সালে পিপিএম পদক পেয়েছেন। এর আগে ২০১৬ সালে তিনি পিপিএম পদক পান।
মাদক বিরোধী অভিযান তথা মাদক দমনে প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিবি পুলিশের ভূমিকা গ্রহণযোগ্য। ময়মনসিংহবাসীর আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে ডিবি পুলিশ সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।
গত পরশু থেকে শুরু করেছে ফের ব্লক রেড। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিত তাদের দায়িত্বে। জনগন তার সুফল পেতে শুরু করেছে।
ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থার ওসি শাহ মোঃ কামাল পিপিএম নেতৃত্বে গত জানুয়ারী/২০১৯ মাসে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ইয়াবাসহ মাদক উদ্ধার, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, জুয়ারী ও মাদকসেবীদের গ্রেফতার করেন। এছাড়াও কয়েকজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে।
গত জানুয়ারী মাসে ডিবি পুলিশ ২ কেজি ৬ শ গ্রাম গাজা, ৯৮ গ্রাম হেরোইন, ২ হাজার,৪ শ,২৬ পিস ইয়াবা, ১টি পাইপগান, ১ টি কার্তুজ,১২টি দেশীয় তৈরী অস্ত্র উদ্ধার করেন।
এছাড়াও তারাকান্দায় চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার ও আলামত উদ্ধার করেছেন।
এছাড়াও প্রযুক্তির সহায়তায় চুরাই ৮টি চোরাই মোবাইল উদ্ধার করেন। পাবলিক পিটিশন আলোচনা সাফেক্ষে নিসপত্তি করেন। ২৮ জন জুয়ারী গ্রেফতার করেন।
জানা যায়, প্রতিদিন মোটর সাইকেল টিম নিয়ে মাদক বিরোধী টহল এবং অভিযান পরিচালনা করেন ওসি শাহ মোঃ কামাল পিপিএম।
ময়মনসিংহের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপন করেছে। প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে মাদকের ব্যবসাও।
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার(এসপি) মোঃ শাহ আবিদ হোসেন ময়মনসিংহকে অপরাধ মুক্ত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে অনেক মাদক বিক্রেতা তাদের ব্যবসাও ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে।
ডিবি পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মাদকের বিরুদ্ধে ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
প্রতিদিন ব্লক রেড ও সাঁড়াশী অভিযান চালানো হচ্ছে। ধরাও পড়ছে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধীরা।
ময়মনসিংহ মহানগরীর মাদক এলাকা হিসেবে খ্যাত পুরোহিতপাড়া, কৃষ্টপুর, আলিয়া মাদ্রাসা রোড, বলাশপুর, সানকিপাড়া, চামড়াগুদাম, চরপাড়া কপিক্ষেত, চরপাড়া পপুলারের পিছনেসহ বিভিন্ন মাদক স্পটে গিয়ে দেখা গেছে, এলাকা নিস্তব্ধ এবং মাদকসেবীদের আনাগোনা একেবারে নেই বললেই চলে। মাদক ব্যবসায়ীরা বাড়ি ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে। এলাকায় যারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল তারা পুলিশের ভয়ে আর বাড়িতে থাকে না।

