একাত্তর বাংলাঃ মেহনাজ তাবাসসুম হৃদি একজন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী। কয়েকদিন আগে রাতে খাবার টেবিলে বসে তিনি আবিস্কার করেন একটি নতুন বিষয়। স্বাভাবিক দেখালেও টেবিলে পড়ে থাকা একটি আপেল তার এই বিস্ময়ের কারণ।
হৃদির তৎক্ষণাৎ মনে পড়ে এই আপেলটি প্রায় একুশ দিন ধরে টেবিলে এই অবস্থায় রয়েছে। যেকোন স্বাভাবিক ফল হলে তা পচে যাবার কথা ছিল। অথচ এই আপেলটি এখনো চকচক করছে। অতঃপর ছুরি দিয়ে আপেলের উপরের অংশ ঘষলে তিনি আবিস্কার করেন মোমের প্রলেপ।
হৃদি সচেতন বলেই এমনটা করতে পেরেছেন। তবে বেশিভাগ মানুষই জানেন না যে, অহরহ ফলের সাথে এমন রাসায়নিক অপদ্রব্য মেশানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় এই উপায়ে অধিক লাভের আশায় অসাধু ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য করছেন। আপেলের সাধারণ দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এসব বিষাক্ত আপেল। ইনজেকশন দিয়ে তরমুজ, আনারসের রং বদলে দেওয়া, আনারসে সবুজ রাসায়নিক রং মেশানোর মতোই আপেলে মোমের পালিশও এখন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যদিও চিকিৎসকেরা বলেন, খোসাসহ ফল খেলে তা পরিপাকে সাহায্য করে তবে এই আপেলগুলো যদি কেউ খোসাসহ খান তবে তার বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা রয়েছে। ফল বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আপেলগুলো পাইকারি অবস্থা থেকে থেকেই এই অবস্থায় আসে, আমাদের কী করার আছে বলুন!
বিক্রেতারা জানান, কীটনাশক দিয়ে আপেল সংরক্ষণের চেয়ে উপরে মোমের প্রলেপ লাগালে তা দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়।
সূত্রঃ সময় টিভি থেকে নেওয়া ।

