কাজী শাহ্ আলম, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ মোটা অংকের টাকার বিনিময় সম্মেলন না করে ঘরে বসে ফেসবুকে স্ট্যাটাস’র মাধ্যমে ওই কমিটিগুলো ঘোষণা দিয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক এমন দাবী পাটগ্রাম উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের। ফলে উক্ত কমিটিগুলো বাতিল করে সম্মেলনের মাধ্যমে আবারো কমিটি গঠনের দাবী তুলে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন তারা। সোমবার লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা ছাত্রলীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারা এসব দাবী করেন।
পাটগ্রাম উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুল ইসলাম সুমন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ৩০ জানুয়ারী পাটগ্রাম উপজেলা, পৌর ও সরকারী কলেজে ছাত্রলীগের সম্মেলনের আহবান করা হয়। ওই সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন এমপি উপস্থিত থাকার সম্মতি জ্ঞাপন করেন। কিন্তু সম্মেলনের ১০ দিন আগে ২০ জানুয়ারী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক তাদের ফেসুবকে আইডি থেকে ওই তিন ইউনিটের কমিটি ঘোষণা করেন। যা ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র পরিপন্থি। সাংবদিক সম্মেলনে তিনি দাবী করেন, মোটা অংকের টাকার বিনিময় সম্মেলন না করে ঘরে বসে ফেসবুকে স্ট্যাটাস’র মাধ্যমে ওই কমিটিগুলো ঘোষণা দিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সম্পাদক পাটগ্রাম ছাত্রলীগকে কলঙ্কিত করেছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামীলীগের মাসিক সভায় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন এমপি ও সম্পাদক এ্যাড. মতিয়ার রহমানসহ আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের জেলা ও উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উক্ত ছাত্রলীগের কমিটিগুলো প্রত্যাখান করেছেন। এর পর থেকে নতুন করে সম্মেলনের দাবীতে আন্দোলন করে আসছে ত্যাগী ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় পাল্টা পাল্টি সংর্ঘষ ও সড়ক অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে জেলা ছাত্রলীগের নেতারা টালবাহানা করছে। সংবাদিক সম্মেলনে উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কাউয়ুম খান শাকিল, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি দেবাশীষ চন্দ্র রায়, সম্পাদক মিল্লাত হোসেন, সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রমি ও সম্পাদক মুন্না উপস্থিত ছিলেন।
লালমনিরহাট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, একাধিক বার চিঠি দেয়া হলেও পাটগ্রাম ছাত্রলীগের পুর্বের কমিটির সভাপতি-সম্পাদকগন সম্মেলন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নিদের্শ নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেনের পরামর্শ নিয়ে আমরা কমিটিগুলো করেছে। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র মেনেই কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে। যারা আন্দোলন করছেন তাদের ছাত্রত্ব নেই ও বিবাহিত।

