সুমন ভৌমিকঃ করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার স্কুল, কলেজ, মাদ্রসা বন্ধ ঘোষনা করেছে। কিন্তু এখন এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাদ্রসা খুলে দিয়েছে। তাদের একটু উন্নত মানের খাবার পরিবেশনের জন্য ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের এই আয়োজন। এছাড়া মাক্স বিতরণ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কিছুটা কমে যাওয়ায় এতিমখানাগুলো খুলে দিয়েছে সরকার। এতিমখানা খুলে দেওয়ায় পর ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান (পিপিএম-সেবা) এর নির্দেশে ডিবি ওসি শাহ মোঃ কামাল আকন্দ (পিপিএম-বার) এর তত্বাবধানে জেলা পুলিশ নগরীর মহজমপুর হাফিজিয়া এতিমখানা ও মাদ্রাসায় ১২০ জন শিক্ষার্থীরদের মাঝে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করেন।
জানা যায়, এতিমখানার শিক্ষার্থীদের কোনরকম দু’বেলা ডাল-ভাত খেয়ে দিন যাপন করে। তাদের উন্নত খাবারের দেখা কম মিলে। সেদিকে দৃষ্টি রেখে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফুটাতে উন্নত মানের খাবার পরিবেশনের জন্য ডিবি ওসির তত্বাবধানে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশকে নির্দেশ দেন। ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব ময়মনসিংহ নগরীর মহজমপুর হাফিজিয়া এতিমখানায় জেলা পুলিশের উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হয়। এছাড়া ম্যানেজিং কমিটির সদস্যগণ, ওলামায়ে কেরামগণ, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ডিবি ওসি শাহ কামাল সহ জেলা পুলিশের সদস্যরা এতিম শিশুদের সাথে ভোজে অংগ্রহণ করেন। এছাড়াও উন্নত মানের খাবার পরিবেশন এর আগে মাক্স বিতরণ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
এতিমদের মাঝে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন এবং মাক্স বিতরণ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যগণ, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, ওলামায়ে কেরামগণ ও বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ সহ জেলা পুলিশের সদস্যরা।
ডিবি ওসি শাহ মোঃ কামাল আকন্দ জানান, করোনা ভাইরাস এর কারনে মাদ্রসা বন্ধ ছিল। সরকার মাদ্রসা খুলে দিয়েছে। মাদ্রসার এতিম শিশুদের মাঝে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে একটু ভাল খাবার পরিবেশন করে জেলা পুলিশ। এছাড়াও এতিম শিশুদের মাঝে মাস্ক দেওয়া হয়।
তিনি আরো জানান, উন্নত খাবার পরিবেশন ও মাস্ক বিতরণ এর আগে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ময়মনসিংহে দরিদ্র মানুষের পাশে থেকে জেলা পুলিশ অব্যাহত সহায়তা করে যাচ্ছে।

