কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জে চলন্ত বাসে নার্স শাহিনুর আক্তার তানিয়াকে গণধর্ষণ শেষে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত দুই আমাকে বোরহান ও আল আমিনকে ধরিয়ে দিতে পারলে প্রত্যেক আসামীর জন্য ৫০ হাজার টাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
এক মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও ধরা পড়েনি ধর্ষক বোরহান। তাকে ধরতে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করলেও এখনও অধরা রয়ে গেছে তানিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যাকা-ের অন্যতম এই আসামি। একইভাবে অধরা রয়ে গেছে বাসের সুপারভাইজার আল আমিন।
এদিকে বোরহান ও আল আমিনের খোঁজে তৎপর রয়েছে পুলিশ। আল আমিন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘটনার পর পরই আত্মগোপনে যায়। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ মিলছে না। তবে পুলিশ বলছে, বোরহান ও আল আমিন যেখানেই থাকুক না কেন, তারা ধরা পড়বেই। তারা পুলিশের চোখ এড়িয়ে বেশিদিন থাকতে পারবে না।
বোরহান ও আল আমিনকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কেউ পুলিশকে সহযোগিতা করলে তাকে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রত্যেক আসামীর জন্য ৫০ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা করা হয়েছে।
মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামির মধ্যে বাসচালক নূরুজ্জামান নূরু ও হেলপার মো. লালন মিয়া এই দু’জন ছাড়াও সন্দিগ্ধ আসামি কটিয়াদীর কাউন্টার মাস্টার মো. রফিকুল ইসলাম রফিক, লাইনম্যান মো. খোকন মিয়া ও পিরিজপুর কাউন্টার মাস্টার মো. বকুল মিয়া ওরফে ল্যাংড়া বকুলকে ঘটনার রাতেই গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে ধর্ষক বোরহান ও বাসের সুপারভাইজার আল আমিন এখনো ধরা পরেনি।
বাসচালক নূরুজ্জামান নূরু ও হেলপার মো. লালন মিয়া তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে ধর্ষণ ও হত্যায় বোরহানের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাজিতপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সারোয়ার জাহান বলেন, বোরহান ও আল আমিনকে গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত আছে। তারা পুলিশের জালে ধরা পড়বেই।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ জানান, সর্বোচ্চ মহল থেকে উক্ত বিষয়টি তদারকি করা হচ্ছে। তাই তাদের গ্রেফতার সময়ের ব্যাপার মাত্র।

